পাতা:প্রবন্ধ পুস্তক-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/৯১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৮২ হিন্দুধর্মের নৈসর্গিক মূল। যদি এ কথার কোন অর্থ থাকে, তবে সে অর্থ এই যে, জগতের পালনকর্তা এবং সংহারকর্তা স্বতন্ত্র, এমত কথা অসদত নহে। ইকার উপর যদি একজন পৃথক্ হুষ্টিকর্তা পাওয়া যায়, তাহা হইলে হিন্দুধৰ্ম্মের নৈসর্গিক ভিত্তি পাওয়া গেল । মিলে তাহ পাওয়৷ যাইবে না, মিল হিন্দু মছেন, হিন্দুর পক্ষসমর্থন জন্য লিখেন নাই । তিনি নিৰ্ম্মাণকৌশল হইতে ঈশ্বরের অস্তিত্ব সংস্থাপন করিয়াছেন, নিৰ্ম্মাতা ভিন্ন স্থষ্টিকৰ্ত্ত মানেন না । কিন্তু বিজ্ঞানে বলে, জীবের জন্ম নিৰ্ম্মাণ মাত্র ; ভৌতিক পদার্থের সমবায়বিশেব জীবত্ব। এই পৃথিবীতে যাহা কিছু দেখি—জীব উদ্ভিদ বায়ু বারি মুৎপ্রস্তরদি,সকলই সেইরূপে নিৰ্ম্মিত, পৃথিবীও তাই স্বৰ্য্য, চন্ত্র, গ্রহ, উপগ্রহ, ধূমকেতু নক্ষত্র, নীহারিকা, সকলই নিৰ্ম্মিত। অতএব সকলই সেই নিৰ্ম্মাতার কীর্তি-ৰ্তাহার হস্তপ্রস্থত। সচরাচর সৃষ্টিকর্তা র্যাহাকে বলা যায়, ঈদৃশ নিৰ্ম্মাতার সঙ্গে তাহার প্রতেদ অল্প । যে আকার শূন্য, শক্তিবিশিষ্ট, পরমাণু সমষ্টিতে এই বিশ্ব গঠিত তাহা নিৰ্ম্মিত কি না-নিৰ্ম্মাতার হস্তগ্রস্থত কি না—তাহারকেই শ্রষ্টা আছেন কি না, তদ্বিষয়ে প্রমাণাভাব। এই টুকু স্মরণ রাখিরা, সৃষ্টিকৰ্ত্ত শব্যের প্রচলিত অর্থে নিৰ্ম্মাতাকে স্মৃষ্টিকৰ্ত্ত। বলা যাইতে পারে। তাহা হউক বা না হউক, ঈদৃশ স্রষ্টার गटन्नहे १ॐ ७११ दिख्ठाप्नद्र निक मशक । ठाउ७द ॐाशtरु পাইলেই আমাদিগের অভিপ্রার সিদ্ধ হইল । মিল বলেন, তাছার অস্তিত্ব প্রমাণীকৃত। তবে মিল, নিৰ্ম্মাতা এবং পালন বা রক্ষাকৰ্ত্তার মধ্যে প্রভেদ করেন না । ইউরোপে, কেহ এরূপ প্রভেদ স্বীকার করে না। এরূপ স্বীকার না করিবার কারণ ইছাই দেখা যার, যে জন্মও জাগতিক নিম্নমাदगैौद्र कल, द्रक७ छाशठिरू मिग्नबादशैौद्र झल; cष निब्रशादशैौद्र