প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:প্রহাসিনী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১৩২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গ্রন্থপরিচয় পূর্বপ্রচলিত যে অপূর্বমুন্দর ছড়াটি একালে বাঙালি শিক্ষিত-সাধারণের গোচরে আনেন, যাহার স্বচনাতেই পাই— জাদু, এ তো বড়ে রঙ্গ জাদু, এ তো বড়ে রঙ্গ । চার কালো দেখাতে পারো যাব তোমার সঙ্গ । এবং যথাক্রমে ‘চার ধলো ‘চার রাঙা “চার হিম’ও আমাদের অগোচর থাকে না, প্ৰহাসিনীর বক্ষ্যমাণ ছড়াটি তাহারই সকৌতুক অমুকুতি সন্দেহ নাই। ইহার উদ্ভবের স্বত্র এবং পূর্বপাঠ ( আদিপাঠ ?) আমরা পাই নির্মলকুমারী-কর্তৃক প্রচারিত কবির লেখা পত্রাবলী’-প্রসঙ্গে ( দেশ ১১।৭৬৮ পৃ. ১ •৭৪-৭৫)— এ তো বড়ো রঙ্গ যাদু, এ তো বড়ো রঙ্গ, তিন মিঠে দেখাতে পারে যাব তোমার সঙ্গ । বরফি মিঠে জিলেপি মিঠে, মিঠে শোনপাপড়ি তাহার অধিক মিঠে কন্যা তোমারি চড় চাপড়ি ॥ বরানগর এ তো বড়ো রঙ্গ যাছ, এ তো বড়ো রঙ্গ, তিন সাদা দেখাতে পারে যাব তোমার সঙ্গ । দই সাদা সন্দেশ সাদা, সাদা মালায় রাবড়ি— তাহার অধিক সাদা তোমার সিধে ভাষার দাবড়ি ॥ এ তো বড়ো রঙ্গ যাদু, এ তো বড়ে রঙ্গ, তিন তিতো দেখাতে পারো যাব তোমার সঙ্গ । উচ্ছে তিতে পলতা তিতে, তিতে নিমের মুক্তি— তাহার অধিক তিতো তোমার বিনা ভাষার উক্তি ॥ ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৩৪ > २१