প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:প্রহাসিনী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৬৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রহাসিনী হাল ফ্যাশানের বাণীর সঙ্গে নতুন হল রফা, একাদশীর চন্দ্র দেবেন কর্মেতে ইস্তফা । শূন্তসভায় যত খুশি করুন বাবুয়ানা, সত্য হতে চান যদি তো বাহার-দেওয়া মানা । তা ছাড়া ঐ পারিজাতের ন্যাকামিও ত্যাজ্য, মধুর করে বানিয়ে বলা নয় কিছুতেই ন্যায্য। বদল করে হল শেষে নিম্নরকম ভাষা— ‘আকাশ সেদিন ধুলোয় ধোয়ায় নিরেট করে ঠাসা, রাতটা যেন কুলিমাগি কয়লাখনি থেকে এল কালো রঙের উপর কালির প্রলেপ মেখে ।” তার পরেকার বর্ণনা এই— ‘তামাক-সাজার ধন্দে জগার থ্যাবড়া আঙুলগুলো দোক্তাপাতার গন্ধে দিনরাত্রি ল্যাপা । তাই সে জগা খ্যাপা যে মালাটাই গাথে তাতে ছাপিয়ে ফুলের বাস তামাকেরই গন্ধের হয় উৎকট প্রকাশ । ” নাতনি বললে বাধা দিয়ে, “আমি জানি জানি, কী বলে যে শেষ করেছ নিলেম অনুমানি । যে তামাকের গন্ধ ছাড়ে মালার মধ্যে, ওটায় সর্বসাধারণের গন্ধ নাড়ীর ভিতর ছোটায়। বিশ্বপ্রেমিক, তাই তোমার এই তত্ত্ব— ফুলের গন্ধ আলংকারিক, এ গন্ধটাই সত্য ।” હર