পাতা:ফিরিঙ্গি-বণিক্.djvu/৪৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Sy ফিরিঙ্গি বণিক খৃষ্টীয় দ্বাদশ শতাব্দীর প্রারম্ভে এই অনুন্নত মানবসমাজ সহসা সমুন্নতিলাভের উপায় প্রাপ্ত হইল। ইসলামই তাহার পরোক্ষ কারণ । ইসলাম বিবিধ বিদ্যালয়ে জ্ঞানবিস্তারকার্য্যে ব্যাপৃত হইয়া, খৃষ্টান ইউরোপকে মুসলমান ধৰ্ম্মের আশ্রয়দানের চেষ্টা করায়, সমগ্ৰ ইউরোপে এক অজ্ঞাতপূৰ্ব্ব ধৰ্ম্মািন্ধ সমন্ব-পিপাসা প্রবল হইয়া উঠিয়াছিল। খৃষ্টান ইউরোপের যে দেশ যত নিরক্ষর, সেই দেশ তত নরশোণিতলোলুপ হইয়া, অশান্তহৃদয়ে মুসলমানের কণ্ঠচ্ছেদ করিবার জন্য উন্মত্ত হইয়া উঠিল । খৃষ্টধৰ্ম্মের বিমল শাস্তিপিপাসা তিরোহিত হইয়া গেল। জনসমাজ রাজ্য চাহিল না, বাণিজ্য চাহিল না, সম্ভোগ চাহিল না, ঐশ্বৰ্য্য লালসায় অশান্ত হইল না। ;-চাহিল কেবল ক্ষমাশূন্য সীমাশূন্য দয়াশূন্য অগণ্য ধৰ্ম্মযুদ্ধ । এই যুদ্ধোন্মাদ জলে স্থলে ব্যাপ্ত হইয়া পড়িল । ইহাতেই পর্তুগাল মুসলমান-শাসন উৎখাত করিয়া, বাহুবলে স্বাধীন श्श्श्ना ख्ठल । স্বাধীন শক্তি উভয় হস্তে সম্মুখের অন্ধকার ঠেলিয়া, দৃঢ়পদে উন্নতি-সোপানে আরোহণ করিতে শিক্ষালাভ করিল। ত্রয়োদশ শতাদীর মধ্যভাগে পর্তুগাল সম্পূর্ণরূপে মুসলমান-শাসন-পাশ বিচ্ছিন্ন করিয়া, আলফানসো নামধেয় তৃতীয় নরপালকে সিংহাসনে সংস্থাপিত করিল। শান্তি প্ৰত্যাবৰ্ত্তন করিল ; সমৃদ্ধি করতলগত হইল ; যে দেশ রোমকসাম্রাজ্যের নিতান্ত নগণ্য প্রদেশ বলিয়া উপেক্ষিত হইত, তাহাই ইউরোপের প্রধান রােজ্যরূপে পরিচিত হইল। পর্তুগালের ইতিহাসের এই অভিনব অভু্যদয়-যুগের বিস্তুত কাহিনী নানা ভাষায় লিপিবদ্ধ হইয়া সভ্যসমাজে সুপরিচিত হইয়াছে। যাহারা বাহুবলে মুসলমান-শক্তি প্ৰতিহত করিয়া পর্তুগালকে স্বাধীন করিয়া তুলিয়াছিলেন, তাহারা ধৰ্ম্মবীর নামে সুপরিচিত । খৃষ্টান সমাজপতি ধৰ্ম্মাচাৰ্য্য পোপ খৃষ্টধৰ্ম্মের কল্যাণকামনায় নবোদগত ইস্