পাতা:বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস গ্রন্থাবলী (প্রথম ভাগ).djvu/১২৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিষবৃক্ষ নগেন্দ্র প্রত্যুস্তর করিলেন, “স্বৰ্য্যমুখি, আমি মাতাল, মাতালকে শ্রদ্ধা হয়, আমাকে শ্রদ্ধ করি ৪, নচেং আবিস্তক করে না ।" স্বৰ্য্যমুখী ঘরের বাঙ্গিরে গেলেন । ভূত্যের প্রহার অবধি নগেন্দ্রের সম্মুখে তার চোখের জল ফেলিপেন না, প্রতি জ্ঞা করিয়াছিলেন । দেওদানজী বলিয়া পাঠাইপাছিলেন, “ম ঠাকুরাণীকে বলি ও, বিয; }েল, আর থাকে ম{ " “কেন ?” “বাবু কিছু দেখেন না । সদর মফঃস্বলের আমিলারা যাহা ইচ্ছ, ত:হা করিতেছি । কৰ্ত্তার অমনে যোগে আমাকে কে মানে ন " শুনিয় স্থৰ্যমুখী বলি:লন, “বtহার বিষয়, তিনি রাখেন, থাকিবে । ন! হয়, গল; গেলষ্ট " ইতিপূর্লে ম:গন্দ্র সকলষ্ট স্বয়ং তত্ত্বাবধান করিতেন । এক দিন তিন মারি তাঞ্জার প্রজ! নগেন্দের কাছাBB BB BBBB BB DDB BBBS BBBS BBBuS “দোতাই জুধ - নয়েব গ:- স্তর দৌরাত্ম্যে আর BSKS B BB BBBB KS BBBe K BBBBB :ক রাখে ?” নগেন্দু সুকুম দিলেন, “সব ইকীয় স ও ” ইতিপূলে তাহার এক জন গোমস্ত এক জন مئیے - صۂ KBB BBBS BBB BBS ggBBBBS BBY গোমস্তার পেতন হইতে দৃশটি ঢাকা দুই" প্রজাকে দিয়ছিলেন । হরদের লোমাল লগে কে লিখিলেল কি তুষ্টয়াছে ? তুমি কি করতেছ ? অ! ভাবিয়া পাই না । তোমার পর ত পাই-ই পাই, ত সে ছত্র তুষ্ট, তাহার লাই } আমার উপর রাগ করিয়tছ ? তা বণ না কেন ? মোকদম। হারিয়াছ ? তাই ব! বল ন। কেন ? আর কিছু বল না বল, শারীরিক ভাল অtছ কি না, বল !" নগেন্দ্র উত্তর লিখিলেন, “আমার উত্তর রাগ করিও না – আমি অধঃপাতে যাক্টতেছি ।" হরদেব বড় বিজ্ঞ, পত্র পড়িয়া মনে করিলেন, “কি এ ? অর্থচিন্তা ? বন্ধু-বিচ্ছেদ ? দেবেন্দ্র দত্ত ? না, এ প্রেম ?” কমলমণি স্বৰ্য্যমুখীর আর একখানি পত্র পাইলেন, তাহার শেষ এই—“একবার এসো ! কমলমণি ! ভগিনি! তুমি বই আর আমার সুহৃদ কেহ নাই ! একবার এসো "

  • 。x 『Y-_子 卒、

ఫిe | ভাতে কোন কথাত থাকে ন । তুমি কি 发剑 ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ মহাসমর কমলমণির আসন টলিল ; আর তিনি থাকিতে পারলেন ম{ কমলমণি রমণীরত্ন ! অমনি স্বামীর কাছে গেলেন । শ্ৰীশচন্দ মন্তঃপুরে বসিয়া আক্রিসের তায়ব্যয়ের হিসাবকিতাব দেখিতেছিলেন । তাহার পাশ্বে বিছানায় বসিয়া এক বৎসরের পুল সতীশচন্দ্র ইংরাজি সংবাদপত্ৰখানি তাপিকার করিয়াছিল । সতীশচন্দ্র সংবাদপত্ৰখালি প্রথমে ভোজনের চেষ্টা দেখিয়াছিল, কিন্তু তাহান্ডে কৃতকাৰ্য্য হইতে ন পারিয়া এক্ষণে পাতিয়া বসিয়াছিল । কমলমণি স্বামীর নিকটে গিয়া গললগ্নীকৃতবাস৷ শুষ্টয়, ভূমিষ্ঠ চইল্লা প্ৰণাম করিলেন এবং করষোড় করিয়া কহিলেন, “সেলাম পৌছে মহারাজ !” ইতিপূৰ্ব্বে বাড়ীতে গোবিন্দ অধিকারীর মাত্র তষ্টয়া গিয়াছিল । । - স্ট্রশচন্দ্ৰ হাসিয়া বলিলেন, “আবার শশাচুরি না কি ?” ক । শশী কাকুড় নয় । এপার বড় ভারী জিনিস চুরি গিয়াছে। - শ্ৰী ! কোথায় কি চুরি হলে ? ক । গোবিন্দপুরে চুরি হয়েছে। দাদাবাবুর একটি সোণার কোঁটায় এক কড়া কাণ কড়ি ছিল, তাই কে নির গিয়াছে : শ্রীশ বুঝিতে ন পারিয়া বললেন, “তোমার দাদাবাবুর সোণার কোঁটা ত স্থৰ্য্যমূখী—কাণা কড়িটি কি ?” ক। স্থৰ্যমুখীর বুদ্ধিখানি । শ্রীশচন্দ্ৰ কহিলেন, “তাই লোকে বলে, ষে খেলে, সে কাণা কড়িতে খেলে । স্বৰ্য্যমুখী ঐ কাণ কড়িতেই তোমার ভাইকে কিনে রেখেছে—আর তোমার এতটা বুদ্ধি থাকিতেও ভাই”—কমলমণি শ্ৰীশচন্দ্রের মুখ টিপিয়া ধরিলেন । ছাড়িয়া দিলে ঐশ বলিলেন, “তা কাণ কড়িট চুরি করলে কে ?” ক । তা ত জানি না—কিন্তু তার পত্র পড়িয়া বুঝিলাম যে, সে কাণ কড়িটি খোওয়া গিয়াছে— নহিলে মাগী এমন পত্র লিখিবে কেন ? শ্ৰী । পত্ৰখানি দেখিতে পাই ? কমলমণি শ্ৰীশচন্দ্রের হাতে স্থৰ্য্যমুখীর পত্ৰ দিয়া কহিলেন, “এই পড়। সূৰ্য্যমুখী তোমাকে এই সকল কথা বলিতে মানা করিয়াছে,—কিন্তু যতক্ষণ তোমাকে