পাতা:বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস গ্রন্থাবলী (প্রথম ভাগ).djvu/২৭১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ي'سو ༢, རུ་་་་་” ১২ আমি সম্মত হুইলাম । ब्राबि विउँौञ्च eयंश्८ब्र वां८ब्र ठेद्ठंकू कब्रिघ्नां त्रज्ञ শব্দ হইল। আমি জাগ্রত ছিলাম। দ্বিতীয় বস্ত্রমাত্র লইয়া আমি দ্বারোদঘাটন পূৰ্ব্বক বাহির হইলাম । বুঝিলাম, চাপা দাড়াইয়া আছে। তাহার সঙ্গে চলিলাম। একবার ভাবিলাম না, একবার বুঝিলাম মা ষে, কি দুষ্কৰ্ম্ম করিতেছি । পিতা-মাতার জন্য মন কাতর হইল বটে, কিন্তু তখন মনে মনে বিশ্বাস ছিল যে, অল্পদিনের জন্য যাইতেছি । বিবাহের কথা নিবৃত্তি পাইলেই আবার আসিব । আমি চাপার হে—আমার শ্বশুরবাড়ী ?— উপস্থিত হইলে চাপা আমায় সদ্যই লোক সঙ্গে দিয়া বিদায় করিল—পাছে তাহার স্বামী জানিতে পারে, এই ভয়ে বড় তাড়াতাড়ি করিল—ষে লোক সঙ্গে দিল, তাহার সঙ্গে যাওয়ার পক্ষে আমার বিশেষ আপত্তি—কিন্তু চাপ এমনি তাড়াতাড়ি করিল যে, আমার আপত্তি ভাসিয়া গেল । মনে কর, কাহাকে আমার সঙ্গে দিল ! হীরালালকে । হীরালালের মন্দ চরিত্রের কথা তখন আমি কিছুই জানিতাম না । সে জন্য আপত্তি করি নাই। সে যুবাপুরুষ, আমি যুবতী—তাহার সঙ্গে কি প্রকারে এক যাইব ? এই আপত্তি। কিন্তু তখন আমার কথা কে শুনে ? আমি অন্ধ, পথ অপরিচিত, রাত্রে অসিয়াছি—সুতরাং পথে ষে সকল শব্দঘটিত চিহ্ন চিনিয়া রাখিয়া আসিয়া থাকি, সে সকল কিছু শুনিতে পাই নাই—অতএব বিনাহারে বিনা সহায়ে বাড়ী ফিরিয়৷ যাইতে পারিলাম না—বাড়ী ফিরিয়া গেলেও সেই পাপ-বিবাহ ! অগত্যা হীরালালের সঙ্গে যাইতে হইল। তখন মনে হইল—আর কেহ অন্ধের সহায় থাক না থাক—মাথার উপর দেবতা আছেন, র্তাহার কখনও লবঙ্গলতার স্তায় পীড়িতকে পীড়ন করিৰেন না ; তাছাদের দয়া আছে, শক্তি আছে, অবগু দয়া করিয়া আমাকে রক্ষা করিবেন—নহিলে জয়া কার জন্ত ? তখন জানিতাম না যে, ঐশিক নিয়ম বিচিত্ৰ— মনুষ্যের বুদ্ধির অতীত—আমরা যাহাকে দয়া বলি, ঈশ্বরের অনন্ত জ্ঞানের কাছে তাহা দয়া নহে। আমরা যাহাকে পীড়ন বলি, ঈশ্বরের অনন্ত জ্ঞানের কাছে তাহা পীড়ন নছে । তখন জানিতাম না ষে, এই সংসারের অনন্ত চক্র দয়াদাক্ষিণ্যশূন্ত, সে চক্র নিয়মিত পথে অনতিক্ষুণ্ণ রেখায় অহরহ চলিতেছে, ভান্থার দারুণ বেগের পথে যে পড়িবে—অন্ধ হউক, বঙ্কিমচন্দ্রের গ্রন্থাবলী । थश्च हडेक, श्रोर्ड हॉडेक, cगई त्रिक्षेिप्लां अग्निळद । श्रांभि অন্ধ নিঃসহায় বলিয়া, অনন্ত সংসারচক্রপথ ছাড়িয়া চলিব কেন ? - হীরালালের সঙ্গে প্রশস্ত রাজপথে বাহির হইলাম—তাহার পদশব্দ অনুসরণ করিয়া চলিলাম —কোথাকার ঘড়ীতে একটা বাজিল। পথে কেহ নাই—কোথাও শব্দ নাই, দুই একখানা গাড়ীর শব্দ —দুই এক জন স্বরাপহৃতবুদ্ধি কামিনীর অসংবদ্ধ গীতিশব্দ । আমি হীরালালকে সহসা জিজ্ঞাসা করিলাম,—“হীরালাল বাবু, আপনার গায়ে জোর কেমন ?” 幻 হীরালাল একটু বিক্ষিত হুইল—বলিল, “কেন ?” আমি বলিলাম, জিজ্ঞাসা করি ” হীরালাল বলিল, “তা মন্দ নয় ।” আমি । তোমার হাতে কিসের লাঠি ? হীরা । তালের । আমি । ভাঙ্গিতে পার ? হীরা । সাধ্য কি ? আমি । আমার হাতে দাও দেখি । হীরালাল আমার হাতে লাঠি দিল । আমি তাহা ভাঙ্গিয়া দ্বিখণ্ড করিলাম । হীরালাল আমার বল দেখিয়া বিস্মিত হইল। আমি আধখান। তাহাকে দিয়া আধখান। আপনি রাখিলাম । তাহার লাঠি ভাঙ্গিয়া দিলাম দেখিয়। হীরালাল রাগ করিল। আমি বলিলাম—“আমি এখন নিশ্চিন্ত হইলাম— রাগ করিও না । তুমি আমার বল দেখিলে,— আমার হাতে এই আধখানা লাঠি দেখিলে—তোমার ইচ্ছা থাকিলেও তুমি আমার উপর কোন অত্যাচার করিতে সাহস করিবে না ।" হীরালাল চুপ করিয়া রহিল। ====स्ट, সপ্তম পরিচ্ছেদ হীরালাল জগন্নাথের ঘাটে গিয়া নৌকা করিল। রাত্রিকালে দক্ষিণাবাতাসে পাল দিল । সে বলিল, তাহাদের পিত্রালয় হুগলী । আমি তাহ জিজ্ঞাসা করিতে ভুলিয়া গিয়াছিলাম । পথে হীরালাল বলিল, “গোপালের সঙ্গে তোমার বিবাহ ত হইবে না-আমায় বিবাহ কর ।” আমি বলিলাম, “না ।” হীরালাল বিচার আরম্ভ করিল। তাহার যত্ব যে,- বিচারের দ্বার প্রতিপন্ন করে যে, তাহার স্তায় সৎপাত্র পৃথিবীতে দুল্লভ, অামার স্কায় কুপাত্রীও