প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, জুন ৩, ২০১২.pdf/২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৮৪৩৭২
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, জুন ৩, ২০১২

(৪) “ইজারাগ্রহীতা” অর্থ একজন ব্যক্তি বা পক্ষ যাহার অনুকূলে কোয়ারী ইজারা বা খনি ইজারা প্রদান করা হইয়াছে এবং তাহার স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তিও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবেন;

(৫)  “উন্মুক্ত খনি পদ্ধর্তি” অর্থ যান্ত্রিক সরঞ্জামাদি ব্যবহার করিয়া উন্মুক্ত পরিবেশে খনি হইতে খনিজ সংগ্রহ করিতে খনন কাজ এবং এতদ্সংশ্লিষ্ট সকল কার্যাদি;

(৬)  “কোয়ারী” অর্থ এইরূপ স্থান যেস্থানে, ভূমির উপরিভাগে বা উপ-উপরিভাগের (Subsurface) স্তরে প্রাকতিকভাবেৃ খনিজ বা শিলা জমা রহিয়াছে এবং যেস্থান হইতে খনন ব্যতীত বা সর্বোচ্চ ৫(পাঁচ) মিটার উলম্ব গভীরতায় খনিজ পাওয়া যায়;

(৭)  “কোয়ারী ইজারামূল্য” অর্থ সিলিকা বালু, সাধারণ পাথর, বালুমিশ্রিত পাথর এবং অন্যান্য অধাতব খনিজ এর মূল্য যাহা ব্যুরো, বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট জেলার প্রতিনিধিগণ কর্তৃক যৌথভাবে নির্ধারিত;

(৮)  “খনিজ” অর্থ আইনের ধারা ২ (খ) তে সংজ্ঞায়িত খনিজ সম্পদ;

(৯)  “খনি” অর্থ আইনের ধারা ২ (গ) তে সংজ্ঞায়িত খনি;

(১০)  “খনিমুখ” অর্থ এইরূপ একটি স্থান যেইস্থানে বা স্থান হইতে খনিজ উত্তোলনের পর হস্তগত, সংগ্রহ, মজুদ বা সমাবেশ করা হয়;

(১১)  “জিএসবি” অর্থ বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (Geological Survey of Bangladesh);

(১২)  “জেলা কমিটি” অর্থ সরকার কর্তকৃ সময় সময় সরকারি গেজেটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গঠিত কমিটি;

(১৩)  “তফসিল” অর্থ এই বিধিমালার তফসিল;

(১৪)  “তেজস্ক্রিয় খনিজ” অর্থ পারমাণবিক নিরাপত্তা ও বিকিরণ নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯৩ (১৯৯৩ সনের ২১ নং আইন) এ সংজ্ঞায়িত তেজস্ক্রিয় খনিজ;

(১৫)  “পরিচালক” অর্থ ব্যুরো এর পরিচালক;

(১৬)  “বালুমিশ্রিত পাথর” অর্থ আইনের ধারা ২ (খ) (ই) তে বর্ণিত দ্রব্য যাহাতে ৫০% এর অধিক পাথর রহিয়াছে;

(১৭)  “ব্যক্তি” অর্থ ব্যক্তি, কোম্পানী, ফার্ম বা সংস্থাও অন্তর্ভুক্ত হইবে;

(১৮)  “ব্যুরো” অর্থ খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো;

(১৯)  “ভূমি” অর্থ আইনের ধারা ২ (ঙ) তে সংজ্ঞায়িত ভূমি;