পাতা:বাংলা শব্দতত্ত্ব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর -দ্বিতীয় সংস্করণ.pdf/১৬৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ বিশেষ্য y Ost সহিত যুক্ত হয়। যেমন “মেয়েটির”, “লোকটাকে”, “বাড়িটাতে” ইত্যাদি। অচেতন পদার্থবাচক বিশেষ্যপদে কৰ্ম্মকারকে “কে” বিভক্তিচিহ্ন প্রায় বসে না । কিন্তু “টি” “টা”র সহযোগে বসিতে পারে । যেমন, "লোহাটাকে”, “টেবিলটিকে” ইত্যাদি । ক্রোশটাক সেরটাক প্রভৃতি দূরত্ব ও পরিমাণ-বাচক শব্দের “টাকৃ” প্রত্যয়টি টা ও এক শব্দের সন্ধিজাত । কিন্তু এই “টাকৃ” প্রত্যয়যোগে উক্ত শব্দগুলি বিশেষণরূপে ব্যবহৃত হয়। যেমন, ক্রেশটাক পথ, সেরটাক্ দুধ ইত্যাদি । কেহ কেহ মনে করেন এগুলি বিশেষণ নহে । কারণ, বিশেষ্য ভাবেও উহাদের প্রয়োগ হয় । যেমন, “ক্রোশটাক গিয়েই বসে পড়ল”,“পোয়াটাক হোলেই চলবে ।” যদিচ সাধারণত টি টা প্রভৃতি নির্দেশক সঙ্কেত বিশেষণের সহিত বসে না, তবু একস্থলে তাহার ব্যতিক্রম আছে। সংখ্যাবাচক শব্দের সহিত নির্দেশক যুক্ত হইয়া বিশেষণরূপে ব্যবহৃত হয় । যেমন, একটা গাছ, দুইটি মেয়ে ইত্যাদি । zskaffą ēstgfei Indefinite article az elstof "f", একটি, একটা । একটা মানুষ বলিলে অনির্দিষ্ট কোনো একজন মানুষ বুঝায়। “একট। মানুষ ঘরে এল” এবং “মানুষটা ঘরে এল” এই দুই বাক্যের মধ্যে অর্থভেদ এই–প্রথম বাক্যে যে হউক্‌ একজন মানুষ ঘরে আসিল এই তথ্য বলা হইতেছে, দ্বিতীয় বাক্যে বিশেষ কোনো একজন মানুষের কথা বলা হইতেছে ।