পাতা:বাংলা শব্দতত্ত্ব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর -দ্বিতীয় সংস্করণ.pdf/২০৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চিহ্ন বিভ্রাট Sዓ® ̆ দুৰ্দৈবক্রমে, তুমি বল নাচে যাও এমন মানে হোতেও পারে সেই *fs", ostol ofqīq ūzo eternal punishment for Włł কিম্ব ন্যায়ের পরিচায়ক । “দেবতা নিঃশ্বাস ছাড়ি কহিলেন”— সমস্ত বাংলা দেশে যত পাঠশালায় যত ছেলে অাছে পরীক্ষা করে দেখো একজনেরও ইলেকের দরকার হয় কি না, তবে কেন তুমি না-হক মুদ্রাকরকে পীড়িত করলে। তোমার প্রফে তুমি ক্ষুদে ক্ষুদে চিহ্নের বাকে আমার কাব্যকে এমনি আচ্ছন্ন করেছ যে তাদের জন্য মশারি ফেলতে হচ্ছে হয় । আমার প্রফে আমি এর একটাও ব্যবহার করিনি—কেননা, জানি বুঝতে কানাকড়ি পরিমাণও বাধে না । জানি আমার বইয়ে নানা বানানে চিহ্নপ্রয়োগের নানা বৈচিত্র্য ঘটেছে—তা নিয়েও আমি মাথ৷ বকাইনে—যেখানে দেখি অর্থবোধে বিপত্তি ঘটে সেখানে ছাড়া এইদিকে আমি দৃকপাতও করিনে। প্রফে যত অনাবশ্বক ংশোধন বাড়াবে ভুলের সম্ভাবনা ততই বাড়বে—সময় নষ্ট হবে, তার বদলে লাভ কিছুই হবে না। ততো যতো শব্দে ওকার নিতান্ত অসঙ্গত। মতো সম্বন্ধে অন্য ব্যবস্থা। মোটের উপর আমার বক্তব্য এই পাঠককে গোড়াতেই পাগল নিৰ্ব্বোধ কিম্বা আহেলাবেলাতি বোলে ধরে নিয়ো ন!—যেখানে তাদের ভুল করবার কোনো সম্ভাবনা নেই সেখানে কেবলি তাদের চোখে আঙুল দিয়ে না—চাণক্যের মতো চিহ্নের কুশাঙ্কুরগুলো উৎপাটিত কোরো তাহোলে বানানভীরু শিশুদের যিনি বিধাতা তার আশীৰ্ব্বাদ লাভ করবে ।