পাতা:বাংলা শব্দতত্ত্ব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর -দ্বিতীয় সংস্করণ.pdf/২১৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


>br e শব্দতত্ত্ব ‘কালচার কথাটা সেই শ্রেণীর। কিন্তু অনুবাদের সময়েও যদি অনুরূপ কৃপণতা করি তবে সেটা নিতান্তই অতুকরণ-প্রবণতার পরিচায়ক । সংস্কৃত ভাষায় কর্ষণ বলতে বিশেষভাবে চাষ করা-ই বোঝায় । ভিন্ন ভিন্ন উপসর্গযোগে মূল ধাতুটাকে ভিন্ন ভিন্ন অর্থবাচক করা যেতে পারে, সংস্কৃত ভাষার নিয়মই তাই । উপসৰ্গভেদে এক ‘কৃ’ ধাতুর নানা অর্থ হয়, যেমন উপকার, বিকার আকার । কিন্তু উপসর্গ না দিয়ে কৃতি শব্দকে আকৃতি প্রকৃতি বা বিকৃতি অর্থে প্রয়োগ করা যায় না । উৎ বা প্র উপসর্গযোগে কৃষ্টি শব্দকে মাটির থেকে মনের দিকে তুলে নেওয়া যায়, যেমন উৎকৃষ্টি, প্রকৃষ্টি । ইংরেজি ভাষার কাছে আমরা এমনি কী দাসখৎ লিখে দিয়েছি যে তার অবিকল অতুবৰ্ত্তন ক’রে ভৌতিক ও মানসিক দুই অসবর্ণ অর্থকে একই শব্দের পরিণয়-গ্রন্থিতে আবদ্ধ করব ? বৈদিক সাহিত্যে সংস্কৃতি শব্দের ব্যবহার পাওয়া যায়, তাতে শিল্পসম্বন্ধেও সংস্কৃতি শব্দের প্রয়োগ আছে । “আত্ম-সংস্কৃতির্বাব শিল্পানি।” একে ইংরেজি করা যেতে পারে, Arts indeed are the culture of soul I “sootwo al ossotta arostas সংস্কুরুতে”–এই সকল শিল্পের দ্বারা যজমান আত্মার সংস্কৃতি সাধন করেন । সংস্কৃত ভাষা বলতে বোঝায় যে-ভাষা বিশেষভাবে cultured, cŵ-sfwi cultured aelwirŵ# i wifš fëfiw প্রভৃতি অন্যান্য প্রাদেশিক ভাষায় সংস্কৃতি শব্দটাই কালচার অর্থে