পাতা:বাংলা শব্দতত্ত্ব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর -দ্বিতীয় সংস্করণ.pdf/২২৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


叫丐-5和可 ՖԵ-> তার মৃৰ্দ্ধন্য ণ সংস্কৃত ব্যাকরণ মতেই দস্ত্য ন হয়েছে। অথচ “স্বর্ণ শব্দ যখন রেফ বর্জন ক’রে সোনা’ হোলে, তখন মূৰ্দ্ধন্ত ণ-য়ের বিধান কোন মতে হয় ? হাল আমলের নতুন সংস্কৃত পোড়োরা ‘সোনাকে শোধন ক’রে নিয়েছেন, তাদের স্বকল্পিত ব্যাকরণবিধির দ্বারা—এখন দখল প্রমাণ ছাড়া স্বত্বের অন্য প্রমাণ অগ্রাহ হয়ে গেল। ‘শ্রবণ’ শব্দের অপভ্রংশ শোনা শব্দ যখন বাংলা ভাষায় বানান-দেহ ধারণ করেছিল, তখন বিদ্যাসাগর প্রভৃতি প্রাচীন পণ্ডিতেরা বিধানকৰ্ত্ত ছিলেন—সেদিনকার বানানে কান সোনা প্রভৃতিরও মূৰ্দ্ধন্যত্ব প্রাপ্তি হয়নি। কৃষ্ণ শব্দজাত কানাই শব্দে আজও দন্ত্যন চলছে, বর্ণ ( বর্ণ যোজন ) শব্দজাত বানান শব্দে আজও মূৰ্দ্ধণ্য ণ-এর প্রবেশ ঘটেনি তাতে কি পাণ্ডিত্যের খৰ্ব্বতা ঘটেছে ? কিছু কাল পূৰ্ব্বে যখন ভারতশাসনকৰ্ত্তার 'ইণ্টারন স্বরু করলেন, তখন খবরের কাগজে তাড়াতাড়ি একটা শব্ব স্বষ্টি হয়ে গেল—‘অস্তরীণ। শব্দসাদৃশ্ব ছাড়া এর মধ্যে আর কোনো যুক্তি নেই। বিশেষণে ওটা কী হোতে পারে, তাও কেউ ভাবলেন না। Externmentকে কি বলতে হবে "বহিরীণ ? অথচ ‘অন্তরায়ণ, অন্তরায়িত, বহিরায়ণ, বহিরায়িত ব্যবহার করলে আপত্তির কারণ থাকে না, সকল দিকে স্ববিধাও ঘটে । নূতন সংঘটিত শব্দের মধ্যে কদৰ্য্যতায় শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছে বাধ্যতামূলক শিক্ষা’। প্রথমতঃ শিক্ষার মূলের দিকে বাধ্যতা নয়, ওটা শিক্ষার পিঠের দিকে । বিদ্যাদান বা বিদ্যালাভই