পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/১০৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জুলা—একতাল । “ মা আমি পাপের আসামী । এই লোকসানি মহলি লয় বেড়াই আমি • পতিতের মধ্যে লেখা যায় এই জমী। তাই বারে বারে নালিস করি, দিতে হবে কর্মী ॥ আমি মোলে এ মহলে, আর নাই হামি । মাগো এখন ভাল না রাখতো, থাকুক রামরামি ৷ গঙ্গা যদি গর্ভে টানে, লইল এই ভূমি। কেবল কথা রবে, কোথ রব, কোথ রবে তুমি ॥ অসকলে যাব কোথ । আমি ঘুরে এলেম যথ তথা। দিব হলে অবসান, তাই দেখে কঁপিছে প্রাণ । তুমি নিরাশ্রয়ের আশ্রয় হয়ে, স্থান দেও গে জগন্মাতা ॥ শুনেছি ঐনথের কথা, বট চতুৰ্ব্বৰ্গদাতা। রামপ্রসাদ বলে, চরণতলে । রাখবে রাখ এই আমার কথা । পতিতপাবনী তারা, ওমা কেবল তোমার নামটী সারা ॥ ঐ যে তরাসে আকাশে বসি, বুঝেছি মা কাজের ধার ॥ বশিষ্ঠ চিনিয়াছিল, হাড় ভেঙ্গে শাপ দিল। তদবধি হইয়াছ ফণী যেন মণিহার ॥ ঠেকেছিলে মুনির ঠাই, কাৰ্য্য কারণ তোমার নাই। ঙয়ায় সয়ু তয় রয় সেইরূপ বর্ণ পারা ॥ দশের পথ বটে সোজ,দশের লাঠি একের বোজ লেগেছে দশর ভার, মনে শুধু চক্ষু ঠারা ॥ পাগল বেটার কথায় মজে, এত কাল মলাম ভত্তে দিয়াছি গোলামী খং, এখন কি আর আছে চর। আমি নিগম মাকে খং, তুমি দাও মা ফারখং । কালায় কালায় দাওয়া ঝুট, সাক্ষী তোমার ব্যাটা যার। বসতি ষোড়শ দল, ব্যক্ত আছে ভূমণ্ডলে । প্রসাদ বলে কুতুহলে তারায লুকায় তারা ॥ বাঙ্গালীর গান । জংলী-একতাল । মোরে তার বলে কেন না ডাকিলাম । আমার এ তনুতরণী ভবসাগরে ডুবাইলাম। এ ভব-তরঙ্গে তরী বাণিজ্যে আনিলাম । তাতে ত্যজিয়া অমূল্য নিধি পাপে পূরইলাম। বিষম তরঙ্গ মাঝে চেয়ে না দেখিলাম । মন-ডোরে ও চরণ হেগে না বাধিলাম । প্রসাদ বলে মাগো আমি কি কাজ করিলাম। আমার তুলনে ভূবিল তরী আপনি মজিলাম। সোহিনী—একতাল।। দেখি মা কেমন ক’রে আমারে ছড়িয়ে যাব । ছেলের হাতের কলা নয় ম}, ফাকি দিয়ে কেড়ে খাবা | এমন ছাপান ছাপাইব, মাগো পেঁজে খোজে নাহি পাব । বংস-পাছে গাভী যেন, তেমনি পাছে পাছে ধবা ॥ প্রসাদ বলে ফাকি ঝুঁকি, মাগো দিতে পার পেলে হ‘বা । আমায় যদি না তরাও ম], শিব হবে তোমার বাবা | মন করেন দ্বেষ খেয - যদি হুবি রে বকুণ্ঠ-বাসী ॥ আমি বেদাগম পুরাণে, করিলাম কত খোজ তালাসি। ঐ যে কালী, কৃষ্ণ, শিব রাম, সকল আমার এলোকেশী ॥ শিবরূপে ধর শিঙ্গা, কুষ্ণরুপে বাজাও রাণী । ওমা রামরূপে ধর ধনু, কালীরূপে করে আসি। দিগম্বর দিগম্বর, পিতার চরণবিলাসী । শ্মশানবাসিনী বাসী, অযোধ্যা-গোকুলনিবাসী ॥ ভৈরবী ভৈরব সঙ্গে, শিশু সঙ্গে এক বয়সী। যেমন অনুজ ধানুকী সঙ্গে, জানকী পরম রূপসী প্রসাদ বলে ব্ৰহ্ম-নিরূপণের কথা দেঁতোর হাসি। আমার ব্রহ্মময়ী সৰ্ব্বশ্বটে, পদে গঙ্গা গয়া কাশী । கழு