পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/২১০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


oo yo बश्प्लीं । একি অকস্মাৎ ব্রজে বজ্ৰাঘাত, কে আনিল রথ গোকুলে। রথ হেরিয়ে ভাসি অকুলে। অক্রুর সহিতে, কৃষ্ণ কেন রথে বুঝি মথুরাতে চলিলে ॥ চিভেন । রাধারে চরণে ত্যজিলে রাধানাথ, কি দোষ রাধার পাইলে ? খাম, ভেবে দেখ মনে, তোমার কারণে, ব্রজাঙ্গনাগণে উদাসী ॥ 한5 || নাহি অন্ত ভাব, শুন হে মাধব, তোমার প্রেমের প্রয়াসী। নিশাভাগ নিশি, যথা বাজে বাণী, তথা আসি গোপীসকলে ॥ চিতেন । দিয়ে বিসর্জন কুল লীলে । এতেই হ’লাম দোষী, তাই তোমায় জিজ্ঞাসি— এই দোষে কিহে ত্যজিলে ? অঞ্জর । শ্রাম, যাও মধুপুরী, নিষেধ না করি, থাক হরি, যথা মুখ পাও। একবার সহান্ত-বদনে, বঙ্কিম-নয়নে, ব্ৰজ-গোপীর পানে ফিরে চাও ॥ চিতেন । জনমের মত, শ্ৰীচরণ দুট, হেরি হে নয়নে শ্ৰীহরি। আর হেরিব আশা না করি। হৃদয়ের ধন তুমি গোপিকার হৃদে বজ্ৰহানি চলিলে । भश्प् । তুমি রাখে, অতি সাধে, করেছ প্রণয়। - সে লম্পট কভু নয় সরল হৃদয়। চিতেল । তোমারে সঙ্কেত জানায়ে, গুম বিহরিছে অন্তেরে লয়ে। দেখিবে ত এস রাধে, দেখাই তোমারে, আছে চন্দ্রাবলীর ঘরে ॥ বাঙ্গালীর গান । আন্তরা । দেখে এলাম তোমার শুমচাদেরে শুয়ে কুসুম-শয্যাপরে । নিশির শেষে অলসে অচেতন, খাম অঙ্গে নাহি বসনভূষণ। ভূজে ভুজে বাধা, যুক্ত অধরে অধরে। भङ्फु| । কোন প্রাণে সে তোমারে দিলে হে বিদায়। তুমি বা কেমনে ত্যজে আইলে হেথায় ॥ ठिंट७न । বিদরে আমার বুক তব মুখ হেরিয়ে। এসেছ গুম কোথা নিশি জাগিয়ে । শূন্তদেহ লইয়ে এলে করে প্রাণ সঁপিয়ে। অন্তর । এখন কি হইল মনে রাধা বলিয়ে। কি ভাবিয়ে শ্ৰীমতীরে গেলে শ্ৰাম ত্যজিয়ে ॥ চিতেন । নাহি পীত ধটি মুরলী—গোচারণের সে ভূষণ। ধ’র না রাধার পায় এখন। এবে যদুপতি, হয়েছ ভূপতি, দ্বারকাপতি সোণার ভবন ॥ মহড়া । হরি, ব্রজনারী চেনে না, ওহে ব্ৰজগোপীর প্রাণধন। প্রভাস-তীর্থে দরশন পাইয়া কৃষ্ণেরে, অভিমান স্তরে, কহে করে ধীরে গোপীগণ ॥ অন্তরা । যদুনাথ, আর কেন দুখিনীগণে স্মরণ হবে। গিয়েছে সে সব ব্রজের ভাব, মজেছ হে সব ভাবে ॥ চিতেন । রুক্মিণী আদি রাজমৃত,বশত সবে, সেবে ও চরণ, ভুলেছ সে গোপীগণ। রাধা কুরূপিণী, গোপের রমণী, বনবাসিনী, কি তারে লাগে মন ॥