পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/২৪৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রাম বস্তু। )@ ○ কতদিন তুমি কাণ্ডার খাম, যমুনার জলে দ্বারা একবার বল্ তোদের কুঞ্চ রাজার সাক্ষাতে ওহে ত্রিভঙ্গ, নাহি যমুনাতে তরঙ্গ, গোপিনী, কুষ্ণতাপে তাপিনী, কেন বিনি বাতাসে তরণী টলে । তোমায় দেখবে বোলে, পার হবে বলে শ্ৰাম, আছে বেসে রাজপথে । যদি কেহ ধরে তোমার পায়, এসেছি আমরা অনেক দুঃখেতে । সেকি পারে যেতে পারে তোদের রাজা নাকি দয়াময়, নাকি অকুলে কুল হারায়। দুখিনীর দুখ দেখলে, দেখবো কেমন দয়া হয়। তুমি নূতন নেয়ে যমুনায়, ইথে হবে তোমার পুণ্য, কর আশা পূর্ণ, | | | | | | | কত ক’রে নেবে কড়ি প্রতি পসরায় । আমরা কুলবর্তী নারী, তাইতে ভয় করি, পাছে কলে হতে নিয়ে ডুবাও অকলে । আছে খং নে পথে বোসে, কে রমণী সে, গাম কি ধার কিছু তার। গেয়ে আমাদের ভূপতি, ওহে যদুপতি, কোটালি কোরেছিলে কোন রাজার। প্রেমধার ধারো তুমি কার, খতে লেখা রোয়েছে ওহে শ্ৰীহরি। থাতক ত্রিভঙ্গ শুম, মহাজন শ্রীরাধাপ্যারী। * মনে আতঙ্গ করি ঐ, ত্রিভঙ্গ শুন কই, তোমা বই ঢেরা সই আর হবে কার ॥ ওহে গোবিন্দ মনে সন্দ হোতেছে, দিছে দাসখং তুমি কোন রমণীর কাছে। । কেন আজ কেঁদে গেলে বংশীধারী। বুঝি অভিপ্রায়ু, বঁধু ফিরে যায়, সাধের কালাচাদকে কি বেলেছে ব্রজকিশোরী ॥ রাধাকুঞ্জে দ্বারী হেয়েছিল গোপিকায় । ষ্ঠামের দশা দেখে এলেমূ রাই, সুধাই গো তোমায়। মণিহারা ফণিপ্রায় মাধব তোমার, প্রিয়া দাসী বলে, বদন তুলে, * চাইলে না একবর। শ্ৰমুখে শ্রীরাধানাম, গলে পীতবাস, দেখে মুখে ফাটে বুকে আমরি মরি ॥ DTu M MDT T T MMAAAA yy

  • পাঠান্তরে “মহাজন ব্রজকিশোরী।”

প্রসন্ন হেয়ে গোপীর পক্ষেতে | বুন্দে বিরহে কাতরা, হইয়ে সম্বর রাজদ্বরে দ{ড়য়ে কয়। মপুরাজ্যের অধিপতি কুষ্ণ, শুনে তাইতে এলে কংসালয় । মনে অন্ত অভিলাষ নাই । বাখাল রাজার বেশ, কেমন শোভ দেপে যাই, কোথা ভূপতি, জানাও শীঘ্ৰগতি, বিনতি কোরি ধোরি করেতে ॥ তাই এত তোয় বিনয় করে বলি। বড় তাপিত হোয়ে এসেছি দ্বারী, তাই এত তোয় বিনয় কোরে বলি। দংশিয়ে পলায়েছে কালিয়ে কালবরণ ফণী, আমরা সেই জ্বালায় জ্বলি ॥ বিষে না মানে জলসার, হেয়েছে যে রাধার, আর তো না দেখি উপায়। ফণিমন্ত্র জানে তোদের রাজা, দ্বারি, তাই যে এলে মথুরায় । এই আমরা শুনেছি নিশ্চয়, রাজার দৃষ্টিমাত্রে সে বিষ নিৰ্ব্বিষ হয়, কৃষ্ণ-প্রেমের বিষে, কৃষ্ণবিচ্ছেদবিষে, ব্ৰহ্মাণ্ডে ঔষধ নাই জুড়াতে ॥* ঐরাধায় বনে পরিহরি কোথা হে হরি ! লুকায়ে কি প্রাণ হরি, ও প্রাণ-হরি। এনে বনে কুল হরি, কে জানে বোধিবে হরি, হরি ভয় কি মনে করি,মেরি বােলে হরি হরি।

  • এই গানটি পুস্তবিশেষে কৃষ্ণমোহন ভট্টচার্ধোর রচিত বলিয়া লিখিত হইয়াছে ।