পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৩১৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ই ই ৬ জঙ্গলা—একত্তাল। " । প্রাণ যায় নন্দরায় ।=প্ৰবোধ বচনে । ছি ছি! ধিকৃ জীবনে,— জীবন হারায়ে, জীবন ষ্টয়ে, এলে ছি ছি, ধিকৃ জীবনে, জীবন দিতে কি পার নই যমুনার জীবনে ? আমার নীলকান্তমণি, মণির শিরোমণি, মৃপমণি, লয়ে গেলে বা কেনে— বল কোন পরাণে, রেখে এলে নাথ । অনাথিনীর ধনে, বল কোন পরাণে, আজি খোয়াইলে অমুল্য রতনে ॥” ললিত ঝিঝিট-একতাল।। হায় কি এতকাল,— বৃথা তোর যতনে দেহ পতন করিলাম আমি। কেন কি দোষে নীলমণি । ত্যজিয়ে জননী, দেশান্তরী হ’লে, বল রে ভূমি। গোপাল ভিন্ন, ছিন্ন ভিন্ন বৃন্দারণ্য, তোমা-শুষ্ঠ দেগে রয়েছি আমি,— আরতে কেউ ডাকে না—ও গোপালের মা । ( তোমার গোপাল কোথায় বলে ) পথের কাঙ্গালিনী মত পথে পথে ভ্ৰমি ॥ ললিত্ত—একঙাল ! সই, কি হলো হলো, বক্ষেতে দংশল, তাম-বিচ্ছেদ-ভুজঙ্গ। সে বিষ কে বাচাবে আর, জীবন রধর রাণার মূলাধার বিনে বঁকা ত্রিভঙ্গ । এ সংসার-ময়, হেরি বিষময়, বিযেতে আচ্ছন্ন হলো অঙ্গময়, আর কি দুঃখ সয়, ভেবে বিশ্বময়, এ অসময় গো,— রসময় কি অঙ্গ দিয়ে জুড়ানে অঙ্গ। সুরট—ীপতাল। হরি হেরিতে হরি-গোহাগিনী,চঞ্চল চরণে চলে । cवन भड बाउत्रिनैौ ७३ फूम७ण ॥ গগন হতে শশী যেন উদয় আসি ভূতলে, স্বাধীগণ যেন তার ঘেরিল তারা সকলে ;– বাঙ্গালীর গান ৷ ভদে কাতরা, গমনে তুরা, ভাসে আঁখি-তারা জলে ৷ ধারার চরণতল-কিরণ, যেন তরুণ অরুণ, নখে দশখণ্ড শশী আছে পদ-কমলে,— দাশরথি কহিছে যখন মুদিব আঁখি-যুগলে, হৃদয়-পদ্মে যেন দেখি ও-পাদপদ্ম-যুগলে, তবে কি আর ভয় ভবে কালে সে কালে । খাম্বাজ—নীপতাল । আসি দেখিছেন উদ্ধব ছিন্ন-ভিন্ন ব্রজ-মণ্ডলে । হেরি কৃষ্ণশুন্ত অচৈতন্য, পড়ে সব ধরাতলে। ভ্ৰমে না ভ্রমর সব, কুসুমাদি কমলে নাহি রব, হয়ে নীরব কোকিল কঁদে তমালে,— ন শুনিয়ে মধুর বেণু, কঁদে ধেনু সকলে,— যমুনা হইয়েছে প্রবল, গোপি *ার নয়ন-জলে। . বিভাস—ঝাঁপতাল । হেরি অন্ধকার, হে উদ্ধব, ব্রজের ধব মাধব বিনে । অঙ্কুর হরে লয় যে দিন দীনবন্ধুকে, দিন গেছে সে দিন, নিশি দিন হয়েছে আজি দীনে ॥ তারানাথের নয়নতার, হারায়ে কাতর, গোপদারা সবে বৃন্দাবনে,–গেছে নয়নতারা, তারার তারাকার ধারা, তারা-আরাধনের ধনে না হেরে নয়মে ॥ খাগাজ-কাওয়ালী। শুনি কি বিচার করলেন শ্ৰীহরি। তবে কোন্‌ বিচারে মরে কিশোরী। অচৈতন্ত জ্ঞান-শুষ্ঠ, দিবা শর্করী। এই কি তার হলো বিচার, গোকুলে করিলেন প্রচার, সপিলাম মন কুলাচার পরিহরি, জগৎ ব্রহ্মাও যার করে যায় ভূত্যাচার, সে বিচার-পতির একি জবিচার, হলো রাধার কি পাপাচার,তার উপরে অত্যাচার, কৃপণাচার করলেন ব্রজে কুঞ্জবিহারী ॥