পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৩৪৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কমলাকান্ত । সুরট-কাওয়ালী। দেখি রে কত জ্বালা সয়। , জল-আশয় ক'রে কিসে পাব জলাশয় ॥ , পিপাসা কেমনে বারি, যাই,--যধা পাই বারি, তত্ত্ব করি পলাবারি, তাতেও নিরাশয়। অন্ধ হয়ে অন্ধকারে, আসিয়ে পড়েছি করে, এখন ডাকিব কারে, জীবন-সংশয়, স্মৃদি-পুর-দীর্ঘিকায়, কিম্বা মণি-কণিকায়, • কালী-হ্রদে শিব-কায়, পড়িলে ডুবায়। Q.○ > જ્ઞાનિશ–જાનાની সইলো, তোর মরা মানুষ ফিরেছে ; কিন্তু পচে নাই,কিঞ্চিং রগেছে । আমি দেখে এলাম রাণাঘাটে । ভাস্তে ভাতে আস্তেছে । নেড়া মাথা বুনো পল, ফুলিয়ে হয়েছে ঢোল, বোধ করি, রসা সাল্স খেয়েছে,— শুন ও লো মতি, হবে তোর পতি, আবার অভিমানে, মনের দুঃখে, বাড় লাকীয়ে রয়েছে | কমলাকান্ত । i_ حسحاحد مسجومج مسدسه রামপ্রসাদের ন্যায়, কমলাকান্ত ভট্টাচাৰ্য্যও একজন সাধক ও কবি ছিলেন । রামপ্রসাদের ন্যায়, নিও জগদারাধা জগদম্বার আব্দারে ছেলে । ইহার রচিত গানেও ভক্তির প্রস্রবণ প্রবাহিত। বৰ্দ্ধমান জেলার অন্তর্গত অম্বিকা-কাল না গ্রামে কমলাকান্তের জন্ম হয়। ১২১৬ সালে মহারাজ তেজশ্চন্দ্র বাহাদুরের সভাপণ্ডিতের পদ প্রাপ্ত হইয়া, তিনি বৰ্দ্ধমানে আলিয়া বাস করিতে আরম্ভ করেন। তেজশ্চন্দ্র, সাধক কমলাকান্তকে চিনিতে পারিয়া, তাহাকে ভক্তিসহকারে আপনার মন্ত্রগুরুপদে বরণ করেন ; এবং রাজবাটার অনতিদূরে কোটাল-হাট গ্রামে গুরুদেবের বসতবাটা নিৰ্ম্মাণ করাইরা দেন। প্রতি বৎসর খামাপূজার রাত্রে ভক্ত কমলাকান্তের এই বাটতে বিশেষ ধুমধাম হইত। কথিত আছে-কমলাকান্ত একবার দস্থ্য-হস্তে পতিত হন। প্রাণ রক্ষার অন্য উপায় না দেখিয়া, তিনি তখন উচ্চকণ্ঠে মায়ের নাম গাহিতে আরম্ভ করেন ; এব’ তাহাতেই দমু্যগণের পাষাণ-হৃদর উীভূত হইয়া যায় ; দসু্যগণ উাহার নিকট ক্ষমাপ্রার্থী হয়। স্ত্রীর মৃতদেহ দাহ করিতে গিয়া সংসাররিাণীর ন্যায় শ্মশানে মার নাম গাহিতে গাহিতে কমলাকান্ত নৃত্য করিয়াছিলেন। মা কালীর প্রতি উক্ত কমলাকান্তের অগাধ বিশ্বাস ছিল। মৃত্যুকাল উপস্থিত দেখিয়া মহারাজ তেজশ্চন্দ্র যখন তাড়াতাড়ি ভূদেবকে গঙ্গাতীরস্থ করিবার উদ্যোগ করেন, সেই অন্তিম শয্যাতেও মুমুধু কমলাকান্ত একটা সঙ্গীত চনা করিয়া গাছিয়াছিলেন। সেই সঙ্গীতের প্রথমাংশ এই – "কি গরজ কেম গঙ্গাতীরে যাব ; আমি কাল মায়ের ছেলে হয়ে বিমাতার কি স্মরণ লব।” পরজ-জলদ তেতাল । পরজ-একতালা । | ম, আমারে তারিতে হবে, ইন্দীবর নিদি তনু সজল জলদ জিনি কায়া। আমি অতি হীন চুরাচার। নীলাম্বুজ নীল মরকত হিমকর নাভাবিয়া কারণ মজিলাম ভবে। দিনকর কিবা হরজায়া ॥ তিত দেখিয় যদি, না তার ভৰ জলধি, অঞ্জন দলিত স্থগিত জঘন, তত পাবনী নামে কলঙ্ক রবে। যেন অপর কুসুম সম নীলকায়। কমলাকাস্তের মন, বিষয় না ত্যজ কেন, কমলাকান্ত আশ মন মানসে, সুখী জনম মম ধিকৃ মানৰে ॥ শীতল চরণ যুগল ছায়া ॥