পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৩৫২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২৬০ কমলাকাস্তুের মন । মিছে ভাব অঞ্চারণ, যদি পাবে শাম! ধন ; নয়ন মুদে থাকা ভালো। মুলতান—তিওট। শিবে, চাওগে তারা তুমি, ওমা পাষণের মেয়ে। এতনু সফল কর মা ! বারেক হেরিয়ে ॥ ধরেছ বাপের রীতি, কঠিন হয়েছ অতি, র্তেই দয়া না উপজে, গে, দীনের মুখ চেয়ে ॥ যদি বা কুপুত্র হয়, মায়ের বৈ আর কারে নয়, কে কোথা তনয়ে ত্যজে, জননী হইয়ে। কমলাকস্তের ভার, বল কে লইবে আর, কিঞ্চিত করুণাকর, ম, কাতর দেখিয়ে। যেtিয়1–একত{ল । ও জননি গো ! খেন ডুবাওনা সাধের তরি মোর। বড় ভয় পেয়েছি, কাতর হয়েছি, শরণ লৈয়েছি তোর | মন-বায়ু না হয় সঙ্গ, গুণ টানে কৰ্ম্মরেখা, র্দার ধরে অনঙ্গ, তরঙ্গ অতি ঘোর ॥ ধৰ্ম্মাধৰ্ম্ম বোঝাই করে, যতনে সাজালাম তরি, ২ দলে পাইব জ্ঞান, বাণিজ্য কঠোর। কমলাকাস্তের আর, কে আছে মা ! আপনার, মা! তুমি হওগে কর্ণধার, কাট কৰ্ম্ম-ডোর ॥ so গৌরী-টিম তেতালা । মা ! মোরে লয়ে চল ভবনদীপার ; গো তারা ! আমি অতি অকুতী অধম দুরাচার ॥ সম্বল আছিল যার, অনায়াসে হৈল পার, কিছু ধন নাহিক আমার, যে নাবিকে দিব মা । প্রদোষ-সময়ে, ধরম ভরি বায়ু নেয়ে, চেয়ে আছি চরণ তোমার, গো তরিণি ॥ অজ্ঞানে হয়েছি অন্ধ, পথে নানা প্রতিবন্ধ, ভলসিন্ধু অনিবার, কিসে পার হবো গে৷ মা! কমলাকাস্ত নিতান্ত ভরসা মনে, তারা ! মোরে করিবে নিস্তার ॥ বাঙ্গালীর গান । সেহিনী—একতাল । কেমন কোরে তরাবে তারা ! তুমি মাত্র এক আমার অনেক গুলা বাদী, গো ! তার নাইকো লেখা জোকা । ভেবেছ মোর ভক্তিবলে, লয়ে যালে বলে ছলে, অভক্তের ভক্তি যেনে পেতনীর হাতের শাখ ॥ নাম ব্রহ্ম বটে সার, সেওগে আমার অতি ভার মনের সঙ্গে রমনার, খাবার সময় দ্যাখা । কমলাকাস্তের কালি ! স্থদে ৰোস উপায় বলি , এ বিষয়ে উচিত হয়, চৌকি দিয়ে থাকা । প্ৰবজ কালাংড়া—জলদ ভেতালা । নাচ গো শ্যামা ! আমার অন্তরে । সদানন্দময়ি নাচ । চিদানন্দ উপরে | নাচগে নাচগো শ্ৰাম৷ ! নাচন দেখি ; তোমার দিগবান অট্টহাস, গলিত চিকুবে । মণিময় মন্দির, সুরতরুমূলে, ঐধাম আবুত, সুধা-সরোবরে। কমলাকাস্তের এই, কামনা করুণাময়ি ! এতনু সফল কর মা ! দুঃখ যাউক দূরে ৷ স্থ ট-মল্লার—তিওট । আলুয়ে পড়েছে বেণী, জিনি নবু মেঘ-শ্রেণী । আর তাহে সূচঞ্চল, শুমা নীলসৌদামিনী ৷ আরে হুহুঙ্কার গরজে, গভীর নিনাদিনী । হরিষে বরিষে মুধা সুধানন্দ তরঙ্গিণী ॥ আরে অতি নিৰ্ম্মল চরণ, প্রফুল্ল নীল নলিনী। নখর মুকুর কর, হিমকর কর-জিনি ॥ আরে! চরণারুণ কিরণে আবৃত কত দিনমণি । কমলাকান্তের হদি, কমল-সুপ্রকাশিনী ॥ রামপ্রসাদী সুর—একতাল।। আমার মনে ইচ্ছা আছে। এবার কালী বলে, বাহু তুলে, যাব তামা মায়ের কাছে ॥ কালীনাম সারাংসার, নিঃসরে বদমে যার, সেজন ভক্ত জীবনৃমুক্ত, দোহাই দিয়ে শিব কয়েছে।