পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৩৫৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কৃষ্ণকমল গোস্বামা । কহিলাম আমি তোমার সেই দাণী— আমায় বুঝি চিন নাই হে নাথ ! অমনি ৮দয়ে ধরিল হাসি বন্ধু কতই বা মুখে ॥ கம் இறம்ாறு गिकू-क्ल”क । মরি হয় গো সখি ! এই ত নিভৃত নিকুঞ্জে কতই মুখে নিশি কাটাইতেম, দেখে মনে পড়লো বন্ধুর গুণ যে ৷ • সেই কুঞ্জে শুষ্ঠ রয়েছে, গুম গেছে, তার চিহ্ন আছে, সখি দেখে কি পরাণ চে, আমার দ্বিগুণ জ্বলে মনাগুন যে ॥ বন্ধু চরণ দুধানি, পসারি সজনি, এই স্থানে এই খানে বসিত গো। কত আদরে বিনোদ নগর আমারে, আদর কেবা জানে, আমার বন্ধু বিনে এত আদর কেবা জানে। উরু পরে করে বসাইত গে। করে করি করি-দশন চিরুণী, আঁচড়ি চিকুর বানাইত বেণী, সখি ! সে বেণ সম্বরি, বান্ধিত কবরী, মালতীর মালে বেড়াইত গো কত সাজে সাজাইত, মুখপনে চেয়ে রত, "ব বিধুবদন ভেসে যেত দুটি নয়নের জলপুঞ্জে বন্ধু মাপন শ্ৰীকরে, কুসুমনিকরে, তুলিয়া আনিত গে। কত যতন কোরে, মনের মতন কোরে, বন্ধু মনোমত শয্য নিরমিত গো । শয়ন করিয়ে সে কুষম শেখে, হৃদয়ের মাঝে রেখে মোরে সে যে, কতই বা কৌতুকে, মনের উংসুকে, সারানিশি জেগে পোহাইত গে কি মোর পষণ হিয়ে, মন বন্ধুছড়া হেয়ে, যায় নাই কেন বিরিয়ে, এখন থাকিয়ে কি হ’লে৷ গুণ যে ॥ diौप्-ि५१ मनि । তাই বলিরে ভাই মুহল – তুই ত কানাই পেয়েছিলি। ২৬৭ না বুঝে তার চতুরালি, হারাধন পেয়ে হারালি। যখন গুম সুধাকরে, নয়ন ভোরে ছিল করে, তখন তার ধরে করে, মোদের কেন না ডাকিলি পুন যদি কোনক্ষণে, দেখা দেয় কমলেক্ষণে, যতনে করি রক্ষণে জানাবি তৎক্ষণে। কেউ ধর্ব তার কমলকরে, কেউ থাকৃব তার চরণ ধরে, তবে আর আমাদের ছেড়ে যেতে নারবে বনমালী৷ πωwnωmυμάμψ বসন্ত-তেন্তিলি । ভাই রে সুবল ! বলরে সুবল ! উপায় কি করি বল ? কেবল রিপুর্বল, হইল প্রবল, কানাই বিনে বৃন্দাবনে দুৰ্ব্বলের আর কি আছে বল ? পুন কি কালীয়দহে, বিষজলে প্রাণ দহে, কিব| দাবানলে দহে, দহে বৃন্দাবন সকল । দেখি আর দিনেক দুদিন, যদি বিধি না দেয় মুদিন, তবে আর কেন দিনের দিন, দিন গণে দিন কাটাই বিফল ॥ আলেয়া-খয়রা। ও মুবল রে! এ দুখিনী নয় কাঙ্গালিনী । এখন আমায় চিন্‌বিনে বাপ, তেদের রাখালরাজার আমি হই জননী । সবে মাত্র ধন, ছিল কুষ্ণধন, হারায়ে সে ধন, হইলেম কাঙ্গালিনী । আর কি আছে বল, জাীি সনে বল, এ জীবনের বল কেবল নীলকান্তমণি। নিশিতে স্বপনে, দেখলাম নীলরতনে, ননী দে ম! বলি করিছে রোদন। হল প্রভাত রঞ্জনী, কৈ সে নীলমণি, আশা করে আছি স্বারে, ঐ দেখ নিয়ে ক্ষীর সর নবনী ॥ அறுகம்மது