পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৩৬৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ՀA 8 বাঙ্গালীর গান । ভাবিলে ভয়ে অঙ্গ সিহরে । কার ছেলে অনল কোথায় আহার করে । ক ল ভুজঙ্গের ফণা ধরে। ধরে গোবৰ্দ্ধন ;—অবোধ কুষ্ণধন ; বোধ বোধহীন আমর গোপাল, ওরে, চরাতে কি জনে গো-পাল ? করিস তোরা দ্বাদশ গোপাল, গোপালকে যতন। গোপাল গেলে গোষ্ঠে, ভৗবন যায় কষ্ট্রে, তিলেক না হেরে প্রাণে মরি রে | কেমন গোপাল সাজে, গোপাল সাজে, গো-পাল মাঝে, বিদায় দিই বা কি ক’রে ? পাষণে বধিয়ে জীবন, বিদায় দি জীবনের জীবন, দেখিস শ্ৰীদাম, রাধস জীবন,জীবন তোর করে; কাল রহনে গহন বনে, যা নিয়ে তায় ; দুর্জর ভানুর তাতে, ছত্র ধরিস তাতে, তাতে ন| তাতে যেন কায় । বাপ শ্ৰীদাম ! অঞ্চলেতে ক্ষীর ননী, বেঁধে দিলাম যদুমণি ! ক্ষুধা হ'লে পর ;–দিওরে তৎপর ;– প্রাণ গোপাল ভুল না রে! ওরে গোপালের নাই তুলনা রে! মনে কিছু তুল না রে! ভেব না রে পর। আমার সর্বস্ব ধন, কাল রতন রে! সাধনে এ ধন ধরি জঠরে। সখি ! এ দানী কে ও যমুনায় ॥ প্রাণ সই রে, এমন দেখি নাই – দানীর শ্ৰীমুখসরোজে, মুরলা গরজে, গরজে ডাকে আবার ত্রীরাধায় ॥ এদানি এ দনী সই, কে গো ঐ, আহা মরে যাই ; অপরূপ রূপ মনপ, এ রূপ স্বরূপ দেখি নাই । নটবর রূপ ধরায় ধরা ভার; দনী কিসের আশে, আমার কাছে আসে, ক্ষণেক হাসে ভাষে নাশে অন্ধকার । মরি কি রঙ্গ ! ত্রিভঙ্গ বয়স তরঙ্গ, অনঙ্গ অঙ্গ হেরে মোহ যায়। নারি বুঝিতে এ দানীর অভিপ্রায়। দানীর দারুণ ভাব দেখে কঁদে প্রাণ ; আমায় ছলে ছলে, প্রেমকথা বলে বলে, আবার বলে রাধে দেহ দান । হ’ল অধৈৰ্য্য মন প্রাণ, কি ধন আর দিব দান, দেহ দান দেহ দানীর রাঙ্গ পায় ॥ ওহে কৃষ্ণ মধুকর হে, আর কেঁদ না ফুলে ফুলে ! তুমি যেমন বেড়াও ফুলে ফুলে, তেমুনি দায় হে ঘটুল গোকুলে ; কেঁদ না রাধা বলে ;–সে রস রঙ্গস্থলে, যাও চলে, বঁধু, মনে যথা বসেছিলে, নতন ফুলে কুঞ্জে শ্রীরাধার ধ’রে পদে, পদে পদে রসময় ; হয়ে অপমান তায়, কেঁদে শ্রাম যায়, রাজপথে প্রভাত সময় । দেখে তখন বৃন্দে কয় অমনি, বলেছিলাম তখনি রাই ধনী মানে উচাটন – কৃষ্ণধন, শুনলে না সে নিবারণ;— | কুঞ্জে গেলে হাসতে হাসতে প্রেমসাগরে ভাসতে ভাসতে আবার বঁধু কঁদৃতে কঁাদূতে, এলে কি কারণ। বুঝি পায় পায় পায় হে বঁধু অনুপায়, কি উপায় হে!—ফুলে বস্বে কি, বিচ্ছেদের ঘা দেছ মূলে । ভেস না হে বধু অকুলে । ওহে কৃষ্ণ ! এ কি প্রেমের সন্নিপাত ! কোথায় গিয়ে পাতলে পাতলে পাত ? মান নিপাত, চক্ষে অশ্রুপাত, কি উৎপাত্ত শিরে যেন উল্কাপাত ;— | রাধাপদ্ম ত্যজে হেলায়, | হেলায় গিয়ে বস্লে হেলায়, এখন কেন প্রভাত বেগায়, কাদূতে এলে নাথ । মরি হায় ! হায় ! হায় ! হায় হে । এ কি হ’ল দায় ;–প্রেম দায় হে ! দেখে ঙ্গাম! কান্না পায় সব নারীর স্কুলে ৷ বঁধু, শুকূলে না দুঃখিনীর কথা কুঞ্জে যেতে যেতে, বলেছিলাম ওহে বঁধু রাই পরে বাড়ন্ত মধু, ও হে মধুকর। গিয়ে কি অপমান, রেল মা মান, হাস্লে নারী জেতে। иф