পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৩৬৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শ্ৰীধর কথক। ২৭ ৭ না বুঝিয়ে অনুরাগ, ননদিনী করে রাগ, , বসন্তবাহার—আরখেম্টা। আর যেন প্রেমরাগ, গুমি ভজেন ভজেনা। ! দিন দুপুরে চাদ উঠেছে রাত পোহান ভার। হ’ল পূন্নিমেতে অমাবস্তা, তের পহর অন্ধকার । এসে বেন্দাবনে বলে গেল বামী বষ্টমী, একাদশীর দিনে হবে জন্ম অষ্টমী ; আলাইয়—আড়াঠেকা । কিবা জল কিবা স্থল আকাশ অনিলনল | কাল ভাদর মাসের সাতুই স্বভাবে এ ভবে সদা শোভে সমুদয় । পোষে চড়ক পূজার দিন এবার। প্রকৃতির কার্য্য সব, স্বভাবে উদ্ভব ভব, ঐ ময়রা মাগী ম’রে গেল মেরে বুকে শূল, * ভেবে ভব ভাবী ভব পরাভব হয়। আর বামুনগুলো ওষুধ নিয়ে মাথায় বচ্ছে চুল ; ভাবের ভাব বোঝা ভার, মাস পক্ষ তিথি বার, কাল বিষ্টিজলে ছিষ্ট ভেসে পুড়ে হল ছারখার । যথাক্রমে বার বার হয় আর লয় । ঐ স্থজ্জি মামা পূৰ্ব্বদিকে অস্তে চলে যায়; কত ভূত হলো ভূত, কত ভূত আবির্ভূত, আর উত্তর দক্ষিণ কোন থেকে আজ ভেবে ভূত অভিভূত, হতেছি বিস্ময়। বাতাস লাগছে গায় ;– ভূতে ভূত অংশ ভূতে ভূত হয় ধ্বংস সেই রাজার বাড়ীর টাটু ঘোড়৷ ভূতে ভূত অবতংশ, হেরি বিশ্বময় ; সিং উঠেছে দুটো তার। সে ভূতের পতি যেই, ভূতাতীত হয় সেই, ঐ কলু রামী ধোপা শামী হাতেছে কেমন, অতএব ভূতনাথে কর রে প্রত্যয় ॥ এক বাপের পেটেতে এর জন্মেছে ক'জন ; Lo so কাল কামরূপেতে কাক মরেছে, l কাশী ধামে হাহাকার ॥ डेबोन्जेन्ज्ञ ===== । سی-جهتختهها ---- ১২২৩ সালে হুগলী জেলার বঁাশ-বেড়িয়া গ্রামে একটী মহামনস্বী পুরুষ জন্মগ্রহণ করিয়াছিলেন। কাব্যে, দর্শনে, অলঙ্কারে, স্মৃতিতি, সঙ্গীতে—চরম প্রতিষ্ঠা লাভ ফরিয়া, এই মনম্বী পুরুধ আপনার কুল সমুজ্জল করিয়াছিলেন। একদিন ইহঁর সর্বতোমুখী প্রতিভা সন্দর্শন করিয়া বঙ্গের আবালবৃদ্ধ বনিতা,— সকলেই বিস্ময়াভিভূত চিত্তে, দিদিগন্তে ইহঁর যশে ঘোষণা করিয়ছিলেন। এই মনম্বী পুরুধ কে ? ইনি সেই কথকশিরোমণী—শ্ৰীধর । বালে প্রতিভ,-যৌবনে প্রতিভা,-প্রৌঢ়ে প্রতিভ-এ প্রতিভা পূৰ্ব্বজন্মার্জিত কত পুণ্যের ফল বল দেখি ? শ্ৰীধরের যেীবন-প্রতিভার প্রতিষ্ঠা প্রচার হইয়াছে মন্দেহ নাই ; কিন্তু উtহার বাল্য-প্রতিভার পরিচয় অপূৰ্ব্ব । পাঁচ বৎসর বয়ঃক্রম কালে শ্ৰীধর পাঠশালায় প্রবিষ্ট হন। এক মাসের মধ্যেই বালক শ্ৰীধর ধারাপাত সাঙ্গ করেন ; এবং চোঁদ বৎসর বয়সেই ব্যাকরণ, কাবা এবং ভাগবতে শ্ৰীধর অলৌকিক বুৎপত্তি লাভ করেন। হুগলী জেলার গোস্বামী মালিপাড়া গ্রামের v রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ, শ্ৰীধরের ভাগবত-শিক্ষাও মন্ত্রদীক্ষার গুরু। & বল্যে সঙ্গীতে ও কবিত্বে শ্ৰীধর প্রকৃতই অলৌকিক । সহাধ্যায়িগণের সঙ্গে পাঠ করিতে করিতে শ্ৰীধর সৰ্ব্বাগ্রে পাঠ সাঙ্গ করিয়া, কোন একটী মহাধ্যায়ীর নামে গান রচনা করিতেন এবং গাছিয়া সকলকে শুনাইতেন। তপ্তকাঞ্চননিভ মুন্দর নুপুরুষ শ্ৰীধরের মু-কণ্ঠে সেই গান শুনিয়, মহাধ্যায়ীরা আত্মবিস্মৃত হইত। যৌবনে কবিত্বশক্তির পূর্ণ বিকাশ। যৌবনে তিনি সঙ্গীতের সহিত পাঁচালী ও কবি গাহিতেন। ইহা শ্ৰীধরে গুরুজনের প্রীতি প্রদ হয় নাই। জ্যেষ্ঠতাত y জীবনকৃষ্ণ শিরোমণি এজন্য তাহাকে ভুংমলা