পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৪০৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বাপ্ৰামোহন সেল । سیاستجمه مسامحه === ggDDD DD DDSBBBBBBBS BBBBSBBttBHD DDB BBB BBS DBBt শতাব্দীর প্রারস্তে ইনি জন্মগ্রহণ করেন। অল্প বয়সেই• ইনি সংস্কৃত ভাষায় বিশেষ পারদর্শী হন । পরে কেবল সঙ্গীত শাস্ত্রের আলোচনার জীবন উৎসর্গ করেন। রাধীমোহন যেমন মুগায়ক তেমনিই মুকবি, এবং যেমন মুকবি তেমনই রসিক ছিলেন। সংস্কৃত বাউীত পারস্ত-ভাষায়ও উহার বুৎপওি ছিল। এক সময়ে তাহার রচিত গানগুলি প্রায় সকল মজলিসেই গীত ও প্রশংসিত হইত। তাহার প্রণীত ‘সঙ্গীত-তরঙ্গ" একখানি অমূল্য সঙ্গীত-বিজ্ঞানময় গ্রন্থ। তিনি যে কিরূপ সঙ্গীতশাস্ত্রজ্ঞ ছিলেন, এই গ্ৰন্থই তাহার প্রকৃষ্ট প্রমাণ। রসসার-সঙ্গীত’ তাহার রচিত অন্ততম সঙ্গীত-পুস্তক। ১২৪৫ সালে তাহার এই গ্রন্থ প্রথম মুদ্রিত হয়। দুইখানি সঙ্গীত-পুস্তক বাৰ্তীত “অনুপূর্ণ-মঙ্গল" নামক একখানি পুস্তক ইনি রচনা করেন ; ভারতচঞ্জের অন্নদামঙ্গল” প্রভৃতি পুস্তকের যে যে স্থান ভ্ৰমাত্মক মনে করিয়াছিলেন, এই গ্রন্থে তিনি সেই সেই সম্বন্ধে নিজের অভিমত লিপিবদ্ধ করিয়া গিয়াছেন। জীবিতকালে ইনি এক জন উচ্চদবের কবি বলিয়া খ্যাতিলাভ করিবাছিলেন । կ রূপক । র্তার গুণ গান কর, ওরে মন-গায়ক । পরিণামে র্যার নাম, অতি সুখ-দায়ক। শ্রদ্ধ-বীণা বাজাইয়া, ভক্তি রাগ আলাপিয়, নাম-সংখ্যা তাল দিয়া, হে সঙ্গীত-নায়ুক ॥ হিণ্ডোল—ঝাঁপতাল । ছদি-কমল-হিন্দোলে দোলে যদুপতি। ললিত ত্রিভঙ্গঠামে, বামেতে শ্ৰীমতী। ধ্যান-ডোর-বেড়ি দিয়া, ভক্তি-স্তস্তেতে বাধিয়া, . ধীরে ধীরে দোলাইছে, রতি আর মতি । ஆற்கதக து পরজ—আড়াতে তালা । বাহার–আড়াতেতালা । তুমি ভাব তোমারে দরশন। ও প্রাণ, করে নাহি পুরুষে কখন। মোরে দেখি এ কারণ, ঝাপিয়া বসন, আপনি হইতেছে গোপন ॥ তড়িং মেন্ধের কাছে, বারেক ধে দেখিয়াছে, সে তব রূপ কেশ করিয়াছে লোকন ॥ কেবা নাহি শশধর, হেরে নিরস্তর, তথাপি লুকাইলা বদন ॥ so সৈন্ধবী—মধ্যমান। তুমি হেরিলে তারে দূরে তিমিরে, সই। আমি দেখিতেছি কাছে, উজ্জ্বল মন্দিরে। সই, শশী আর প্রেম, সমান গণন। কহিতে বিদরে বুক, দুই দুঃখিতের দুখ, হয়েতে কলঙ্ক আছে, দোহে সদা জ্বালাতন ॥ শশী সিন্ধুমাঝে ছিল, বাড়বানলে পীড়িল, নয়ন-সাগরে প্রেম, দাহিকা-গুণে দহিল ॥ শশী গেল হর-ভাল, সেথা অনলের জ্বাল, মনে পশি প্রেম হলে, মনেরাগুনে দাহন । মম হৃদয় গগন, শরৎশশধর সম সেজন, সই! আমি কি প্রকারে দূরে সই কহিব শশীরে। যে জনার উদরে মম, বিনাশ হইল মানস-তম, সই! তিমিরে কি আচ্ছাদিবে তাহার শরীরে সই ॥ ললিত—আড়াতেভাগা। বিষাদ কেমনে হরে না হইলে বিষাদিত। প্রাণ ! বিরস হেরি তোমারে, হুইব কি হরষিত ॥ পিরীতে আমি দপর্ণ, তুমি ত আশ্রয়-জন, বে ভাবে যখন বুরে, নিরখিবে সেই রীত। ত্যজিয়া লগাট-বাসে, শশী গেলেন আকাশে, তথাকারে আসি রাহু, সমানুসারে গ্রাসে ॥ মনে থাকি প্রেম হয়, প্রচারাকাশে উদয়, সেখানে বিচ্ছেদ-রূপ, রাহু করয়ে গ্রহণ ॥