পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৪১৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গোবিল- আপ্রি-ক্রান্ত্ৰী t حیـحستم(محے تصاص۔ হুগলী জেলার (খানাকুল-কৃষ্ণনগরের সন্নিকট) জাঙ্গিপাড়া গ্রামে অনুমান ১২০৫ সালে গোবিন্ধ অধি. কারীর জন্ম হয়। ইনি বৈরাগী কুলোদ্ভব। বাল্যকালে গুরু মহাশয়ের পাঠশালায় ইনি সামান্ত লেখ৷ পড়া শিক্ষা করেন ; তার পর আমৃতার নিকটবর্তী ঘূরখালী-গ্রাম-নিবাসী গোলকচন্দ্র দাম অধিকারীর নিকট, কীৰ্ত্তন শিখিতে প্রবৃত্ত হন। এই সূত্রে অনেক মহাজনপদাবলী তাহার কণ্ঠস্থ হইয়া যায়। বালকাল হইতেই ইহঁর কণ্ঠ অতি মধুর ছিল। গোলকচন্দ্রের কীৰ্ত্তনের দল ছিল ; প্রথমতঃ ইনি উক্ত দলে কীৰ্ত্তনের দোহারী করিতেন ; শেষে নিজেই একটা কীৰ্ত্তনের দল করিঃ বসেন। কিন্তু সে দলের সেরূপ সুযশ হয় নাই। অবশেষে সেই কীর্তনের দলকে তিনি যাত্রার দলে পরিণত করেন। উহার DBB BBB DDD BBSBBDD DBBS BB BBD DD DDD DDD DDDD DDD সূত্রপাত হয়, এবং উহার মুখ্যাতি বঙ্গদেশময় পরিব্যপ্ত হইয় পড়ে । তিনি কেবল ঐকুকলীলার যাত্রা করিতেন। কৃষ্ণবিষয়ক অনেক ভাল ভাল গান তিনি এই উপলক্ষে রচনা করেন। যে সকল গানের অনুপ্রাগের ঘটায় একসময়ে তিনি সমগ্র বঙ্গদেশকে মাতাইয়! তুলিয়াছিলেন। তিনি ডাম্বার BBBBB BBB DD BBBBS BBB DBBB BBBB BB BB BB BB DD BB যাত্রা শুনিতে যাইত। দূতী সাজিয়া যখন তিনি আসরে নামিতেন, তখন চারিদিকে একটা মহা হৈ-চৈ পড়িয় ঘাইভ ;-আনন্দ্ৰে শ্রোতৃবর্গ হরিধ্বনি করিয়া উঠিতেন। যাত্রার সম্প্রদায়ের সহিত তিনি হাবড়ার সন্নিকট শালিখায় অবস্থিতি করিতেন । এই সালিখার গঙ্গাতীরে প্রায় ৭২ বৎসর বয়সে তাহার গঙ্গালাভ হয়। গোবিন্দ, যাত্রা করিয়া অনেক অর্থ উপার্জন করিয়াছিলেন। চুক্তির টাকা ব্যতীত তিনি আসরে অনেক টাকা পেলা পাইতেন। তাহার গানে মোহিত হইয়া অর্থহীন লোক্ষ গাত্র-উত্তরীয় পৰ্য্যন্ত খুলিয়া পারিতোষিক দিতেন। শেষ বয়সে তিনি কয়েকখানি জমাদারী পৰ্য্যন্ত খরিদ করিয়াছিলেন। ಛಿ: | পিলু-পোস্তা। তামায়, ”ནའ་ཨྰཿ ཨཱཿ ཨཱཿཧྥུ་ ামায় হরি হরি বল ওরে আমার মন । যে দিন শমন রাজা মোরে, শমনজারি করে, | কোন ফেরে ঘোরে, দ্বারে বন্দি হই আমি। কিসে হবে :ਸ਼ੇ হরি, তুমি অকপট, আমি হে কপট, ੋ কপট প্রেমে তুমি নওঁ হে প্রেমী ; সদা যেন মত্ত বারণ, j যদি অকপট প্রেমে, ডাকৃতেম তোমায় ভ্রমে, *: ಕ್ಲಿ! *. | তবে এমন প্রেমে ভমে কি ভ্ৰমি ৷ f इब्लि হরি, তুমি অতি সং, আমি হে অসং যে পদ লক্ষ্মীর সম্পদ, ভাবলি না সে হরিপদ, ਬੋ, ਬੋ ঘটালি আপন আপদ্ধ, এ আর কেমন ॥ এখন ধেরূপ নিরন্তর, হতেছে অন্তর, : জান সৰ্ব্বাস্তর, অন্তর্যামি ॥ ---. তুমি অগতির গতি, তোমা বিনে গতি, সে নহে কখন আপন, যেমন স্বপন ; নাহি অন্ত গতি, ভারত ভূমি; আপন যে চিনৃলি না তারে, যে ভৰ দুস্তারে অরে, কর যা ইচ্ছা তোমার, রাধ কিম্ব মার, । গোবিন্দ কয় কারলে তীরে, পলাবে শমন। দাস গোবিদ তোমার, তুমিহে স্বামী । —