পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৪১৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গোবিন্দ অধিকারী। দর না জেনে নামূটী শুনে, ভয়ে পলায় রবিহুত ॥ এ হাটের প্রধান তাতি, পশুপতি প্রজাপতি, আছে শত শত আর আর র্তাতি, তাদের কেবল গতীয়ুত ॥ যে ন চেনে এই সুত, ত্ৰিজগতের সেই পশু তো, যে চিনেছে এই স্থত, চায় নাক সে দারাহুত ॥ ললিত—রাপক। কার আছে এমন জাল, আছে মোর যেমন জাল, কার বা ঘটাই জাল, কার ঘুচাই জঞ্জাল। না ভূৰি ডুবে জলে, ডুবায়ে রাখ জালে, জগং ডুবাই জালে, এমনি মোর মায়াঙ্গাল ॥ আছে এক মায়ানদা ধরি মান নিরবধি, কত বা ধরি মীন, নাহিক অবধি, জাল ছাড়া হয়ে কেউ পলাতে চায় যদি, সাধ্য কি এড়াইতে পারে ভব ভেজাল ॥ কালেংড়1–একতাল । মুখ দেখবে চন্দ্রমুখী, তুমি সে মুখে আছ বিমুখী। দেখাবার মুখ হলে কি হে, সম্মুখে মুখ লুকিয়ে রাখি ॥ যে কথা বলেছ মুখে, শুনেছি সব সখীর মুখে, পরে শুনবে লোকের মুখে, কাজকি মুখে, ওলে ধনি কাজ কি মুখে মুখোমুখী। 鼻 ললিত—ষৎ । পার না পার না চিনিতে। পারি চিনিতে ॥ ছিলে যে শ্রেণীতে, এখন নাহিক সে শ্রেণীতে ॥ যখন বেণু চিনিতে, তখন ধেনু চিনিতে, তখন ব্রজের রেণু চিনিতে ॥ যখন বাধা চিনিতে, যখন বাধা চিনিতে, যখন রাধা চিনিতে, তখন আমায় চিনিতে। তোমার সে বাক্য গুলি, স্নিগ্ধ বারি বণিতে, দুগ্ধ প্রায় হলো মুগ্ধ, যেন দুগ্ধ চিনিতে, পড়েছ পদ্ম চিনিতে, হয়েছ বদ্ধ চিনিতে, হুদ সুখী হলে চিনিতে,— পূৰ্ব্বে পারি নাই চিনিতে, পরে পরিলাম চিনিতে, পর কি পর পারে চিনিতে, আপনার হলেই চিনিতে ॥ கயான ভৈরবী—পোস্ত । তোরা যানে যাস্নে দৃতি। গেলে কথা কবে না সে, নব ভূপতি। যদি কথা না কয় তোদের সনে, ফিরে আস্বি অভিমানে, আমি শুনে মর্ব প্রাণে শ্রামের কি ক্ষতি ॥ দয়া মায়ু হীন কুঞ্চ, মনেতে জেনেছি স্পষ্ট, যাওয়া আসা মিছে কষ্ট, কেন পাবে সৈ । যদি যস্রে মধুপুরে,আমার কথা কোনে তারে, বৃন্দেরে তোর করে ধরে করি মিনতি ॥ απα πω. সিন্ধু ভৈরবী—একতাল।। ব্রজের কুশল কব কি নব ভূপতি। দেখিলাম তোর বিরহে মূৰ্ছাগত শ্ৰীমতী ॥ মা যশোদা পিতা নন্দ, কাদিয়ে হয়েছে অন্ধ, বলে দেখা দেরে প্রাণ গোবিন্দ, কাস্তেছে যশোমতী ॥ যমুনা পার হয়ে এলাম, রাই মলে রব শুনতে পেলাম, রাই মলোরাই মলো বলে, কাস্তেছে সব যুবতী। কোকিল কঁদে তমাল ডালে, ভ্রমর কাদে শতদলে, গোবিন্দ দাসেতে বলে ( এমন ) মুখের হাটে ডাকাতি ॥ বিভাস-একতাল।। ধর ধর পত্র এনেছি হে পত্র, যে পত্র লিখেছেন রাই তোমারে। তুমি রাজা ছত্ৰধারী, গরবিনী প্যার, সগৌরবে পত্র দিলেন আমারে । লয়ে তুলসীর পত্র, লিখিলেন পত্র, অত্র পত্র মাত্র ধরিয়ে করে। পত্র লিখিতে প্রথম ছত্র, ভাসিল কমল নেত্র, রোমাঞ্চিত গাত্র, কি হলো অস্তরে ॥ বঁধু তুমি মহাপাত্র, তুল্য মন্ত্রী পত্রি, পাত্রাপাত্র বোধ না হয় অস্তরে ।