পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৪২৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মধুকান। दिविप्ले-८%क । এই আমি কি সেই আমি চিনিতে নারি। একি অপরূপ হেরি, হুইলাম পুরুষ কি নারী ॥ ও হরি অন্তর্যামী, কি ছিলাম কি হইলাম আমি, আমি হেরে ভুলি আমি,আমি যে চিনিতে নারি। আমরি কি ব্রজের বাক, বাকা হেরে ঘুচল বাক, চিন্তে নারি চিন্তামণি, তুমি হরি দীনের সখা । তুমি স্বষ্টি স্থিতি প্রলয়, স্থদনের মনে এই লয়, হইগে ও চরণে লয়, কেনে ভ্ৰমে ভ্ৰমে মরি। पिउॉम-भषामांन-¢¢दः । দেখলেম কুবুজায়, কুবুঝায়, রাই রক্ষে কি ভাল বুঝায়, সদা কুবুঝায়। যেমন হে ত্রিভঙ্গী, তেমনি রাণীর ভঙ্গি, তোমার থেকে ভঙ্গি তার কিছু বুঝায়। এলেম দেখতে শুস্তে শুন্তে চাই তার গুণ, প্যারী পারেন শুন্তে যা শুন্তে নিপুণ, দেখে এলাম এমন কু যেমন তেপেচা কু, হরি হয়েছে কু পড়ে কুবুঝায় ॥ বাকায় ভাল বুঝায়, সাজেন সোজায়, যেমন প্রেম ঘটেনা বুঝায় অবুঝায়। পেয়েছ কুবুজায়, পেয়েছ কুবুজায় স্বদন যে প্রাণে যায়, তারে কে বুঝায় ॥ বিঝিট—মধ্যমাম । রথ রােখ বংশীবদন, হেরিব বদন। রথ রাখ, কথা রাখ, একবার মোরা দেখি দেখ, যাই রাই বলে ডাক, শুনে যাই কথাটী মিঠে কেমন ॥ শূন্ত করি ছদি-রথে, কেন অন্ত রথে, এ রথ কেঁদে ব্যাকুল হইল, দেখে মুনি রথে, রথ যেতে চায় তোমার সাথে, এ রথ লইয়ে যাও ও রথে, তা নইলে মথুরার পথে, রথে ব্লখ করব পতন । ব্রজে এইসে অকুরমুনি হয়ে নিল মণি, মণিহারা ফণী কি হবে গুণমণি । \996: প্রাণ লইয়ে যায় রথের মধ্যে, দেখ গো মুনি নারী হত্যে, হীন কয় বঁচি কি কত্তে, ঐ পাদপদ্মে দিলেম জীবন ॥ 惠 দেবগিরি—কাওয়ালী । আর কি পাব সে নীলমণি । মা বলে আসিবে কোলে, খাওয়াইব ক্ষীর ননী ॥ পেয়ে নূতন জননীরে, ভুলেছ এ দুখিনীরে, খেদে ভাসি আধিনীরে, হয়ে মণিহার ফণী । শ্ৰীদুৰ্গা কমলপদ, পুজিয়ে কমল দলে, সেই নীলকমল কোলে, পাইয়াছি সেই ফলে, আসিবে আমার নীলকমল,হেরিব চাদবদনকমল, প্রফুল্ল হবে হংকমল, কমল মুখে মা-বোল শুনি ॥ সাধনের ধন কৃষ্ণধনে, হরিয়ে লইল বিধি ; পুন সদয় হয়ে ফিরে, দিবেন আমারে সেই নিধি, কৃষ্ণ গোকুলে আসিবে, মা বলে কোলে বসিবে, মুখভানু প্রকাশিবে, নাশিবে দুখ রঞ্জনী । ৯ যে হতে গিয়েছে কৃষ্ণ, ক্রুর অক্রুরের সনে, দেই হ’তে জননী বাণী, আমি শুনি নাই শ্রবণে, আছে ভুলে যদুকুলে ভাবে না আর এ গোকুলে, সুদন বলে শোকাকুলে, মরে জনক জননী ॥ 鹼 –ਢਾ দেবগিরি—কাওয়ালী। সমান্তে কি রাধারে পায়। বিনা আরাধনে কি পায় ॥ ভক্তিভাবে ডাকিলে পায়, মুক্তি শক্তি আছে যার পায়। ত্যজে বিষয় বাসনা, বশ করিয়ে বাসন, করিলে তার উপাসনা, হৃদিপদ্মাসনেতে পায় ॥ রাধা আকাঙ্ক্ষিত হয়ে, ত্যজিলাম গোলোক অধিকার ; গোকুলে গোপবাদ নিলাম, পরিচয় কি দি অধিক আর? কাননে করি গোচরণ, করে কৈলাম শৈলধারণ, স্বদন বলে রাধার কারণ, বাধা সে গোলাম নন্দের পায় ॥