পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৪৫৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৩৬২ হায় হায়, নিশিতে না হয় নিদ্রা করিলে শয়ন। হায় হায়, লাজ বাজে, লোকমাঝে কহা নাহি যায় ॥ কাওয়ালী। এত দিনের পরে বুঝি বিধি অনুকূল। ফুটাইয়ে দিল মম বিবাহের ফুল ॥ দেখিব সে বিদ্যা কেমন, বুঝব বিদ্যার পণাপণ, দৌড়খানা দেখব কেমন, হারি কি জিতি! হায়! যা হবার হবে যাব সম্প্রতি ;— কেমন রূপসী বিদ্য, শিখিয়াছে কত বিদ্যা, বিচারে বুঝিয়ে বিদ্যা, মজাইব কুল ৷ টোড়ী ভৈরবী—একতাল। জয় দে গো ম| কালী । আদ্যাসনাতনী, সৰ্ব্বস্বরূপিণী, অচিন্ত্যাব্যক্ত করালী ॥ দলবল যত যোগিনীসঙ্গে, गाष्ट्रेड गाहेड ভ্ৰকুট রঙ্গে, বারেক করুণা কর অপাঙ্গে, করি কৃতাঞ্জলি । গার-ভৈরবী—অাড়া । কোথা গো মা, ত্রিলোকতারা দুঃখহর ত্রিনয়নি। বৰ্দ্ধমান যাব মাগে, কটাক্ষে হের জননি। কত অমর বিনাশিলে, ভক্ত-বাঞ্ছাপুরাইলে, ঋতুরাজে বচাইলে, নিজ গুণে গো মা আপনি; ইহকালে পরকালে, কালে কালে বিপদকালে, তোমা বিনে গো মা, আর কিসে হব পারবল,—বিনে ঐ চরণ-ভরণী । আড়ধেস্ট । কি মনে অধোবদনে। ধরাসন করেছ আসন, হালি নাইক চন্দ্রাননে। ननि निक्षि ८षन नदनि, অমৃতবে বুঝি হবে বরিষণ, হলো হলো যেন, হয় হেন মন, হদাকাশে হেরি চাতকীগণে । বাঙ্গালীর গান । চিকুরে নিরখি খেলিছে পবন, ধূলাতে ধূসর করি নিরীক্ষণ, আজি মন-করী, কেন দুঃখবারি, মত্ত হলো ধরায় বরিষণে ॥ আড়থেমৃট । জিজ্ঞাসি তোমারে হে রাজন, শুনি তব বিবরণ। রাজকাৰ্য্য কি এমুনি ধারা, এই কি আচরণ ॥ যেমূনি মন্ত্রী তেমূনি গাত্র, দেখি কেবল নামমাত্র, সবাই কি এক গুরুর ছাত্র, তারাই বা কেমন ॥ ঠুংরি। প্রকাশিয়ে বল লো ধনি । কি মনে অধোবদনে বিধুবদনি। মলিন হেরি মুখশশী, কি দোষে হয়েছি দোষী, যখন যাতে থাক খুসি, তুষি তখনি। যৎ ওহে মহারাজ, বল শুনি মন্ত্রণ কেমন। বিষয়-কাজে মত্ত সদা হয়ে আছ অচেতন ॥ স্বরে বিদ্যা রূপবতী, হুইল মব যুবতী, | আর কি সে পাইৰে পতি, অতীত হলে যৌবন। বুঝি ভাবিয়াছ মনে, কাজ কি বরের অন্বেষণে, মন-কলা খাও মনে মনে, কালনেমির মতন ॥ কাওয়ালী। কেন ধনি, চিস্তা কর অকারণ। সত্বরে মিলায়ে দিব জামাতা মনোমতন ॥ যে দেখি বিদ্যার পণ, কঠিন এ সভম্বটন, যা আছে ললাটে লিখন, তেমনি হবে মিলন। जांढ़ ८र्षम् । মরি মরি একি মনোহর, হেরি দীঘি সরো বর ; মুখপাতে মুখ জুড়াইল, রসিল অন্তর। শতদল শোভিছে জলে, ভ্রমর বেড়ায় মধুর ছলে, ফুল ফুটেছে নানা ফুলে, ডাকে পিকবর। স্বাট বাধান পরিপাটী, দুধারে ফুল সেঁউতি পাট, বকুলে ঢেকেছে মাটী, নবীন তরুবর ॥