পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৪৬১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গোপাল উড়ে । ৩৬৯ মালী আমার স্বর্গে গেছে, তাইতে লোকের বুক বলেছে, সে যদি গো থাকৃতো বেঁচে, চোর বেটদের ভাঙ্গতো জারি ॥ আড়খেমটা। তুলবো কি ফুল, তুলবেদেছে করেছে নির্মুল। ডানপিটে ড্যাক্রাদের বুকে ধরে নবুকখুল। আচোট জমি চুটিয়ে গেছে, আফুটো ফুল ফুটিয়ে দেছে, কুড়ি গুল ছিড়ে নেছে, লুটেছে মুকুল। আড়ধেমটী । বোনপো, থাকৃরে বাছা স্বরে। ফুলের যোগান দিয়ে আসি ফিরে। যেতে হবে কত স্থানে স্থানে স্থানে, আবার, বিদ্যার স্থানে, ত্বরা করে। যেতে হবে পড়া পাড়া, কায়েত পড়ি, বামুন পাড়, রয় না ঘরে কোন ছোড়া, পেলে সাড়া, কেবল লাগায় তাড়া, ফুলের অরে। আলিয়া-খাম্বাজ—কাওয়ালী। কি ফুল ফুটেছে মজার তারিপ বাহওয়া কি বাহওয়া । সৌরভে গাউলসে উঠে, লাগলে গায়ে ফুলের হাওয়া। জাতি যুতি শেফালিকে, টগর গোলাপ কাটমপ্লিকে, চেয়ে একবার ফুলের দিকে, ঘুরিয়ে দিলে নাওয়া খাওয়া । যারা ছিল উচু ডালে, নাগাল নাপাই হাত বাড়ালে, কটাক্ষে মন ঘুরিয়ে দিলে, আপৃশোসে আর যায় না যাওয়া ॥ জড়িখেমট1। বড় লজ্জা করে পাড়ায় যেতে। রেজের ফুল যোগাতে ॥ পাড়ার যত ভেড়ের ভেড়ে,হাতে ধরে পায় পড়ে, চায় বেলফুলের গোড়ে, পয়সা নিয়ে, ফাকি দিয়ে, আমি পারিনেকে কা’র হাত ছাড়াতে ॥ আড়ৰেমট1। ঠাকুরপো হে, ডকৃছে মিছে। এখন কি আর সে ভাব আছে, সেভাবে অভাব হয়েছে। এ মালঞ্চ যখন ছিল ফুলে ভর, এক এক ফুল যেন মধুর ভর, কত যে ভ্রমরা, খাতক ছিল তারা, ফেল করে এখন পালিয়ে গেছে। கம்டி_. আড়খেমটা । বিদ্যালো তোর এ নব-যৌবন— বৃথা গেল অকারণ। so আর কবে করিবে ধনী মুখ অলপন ॥ কিক্ষণে শিব খুজেছিলি, আইবুড়তে কাল কাটালি, পতির মুখ না দেখিলি, কোরে পোড়া পণ । রমণী মুখের তরী, পুরুষ তাহে কাণ্ডাঃী, কাণ্ডারী বিহনে তরী, কে করে যতন ॥ কাওয়ালী। মনাগুণ জলছে প্রাণে ধিক ধিক । শয়নে স্বপনে যেন শয্যাকণ্টকী ॥ শুনেছি বড়বানলে, জলেতে অনল জ্বলে, দাবানলে বন জ্বলে জানে সকলে, হায় হায়, বিচ্ছেদ বিরহানলে, অম্ভর জ্বলে, নারী জন্ম কি অধৰ্ম্ম, যেন পিঞ্জরের পাধি ॥ 4mwçumημψΦπημψη" কাওয়ালী। বল দেখি, ভাবলে এখন কি তা হবে। ভাবিতে উচিত ছিল প্রতিজ্ঞা করিলে যবে। পূজা কর গঙ্গাধরে, কোনকালে বর দিবেন তোরে, র্তার বরে আশা কোরে আছলো ধান !