পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৫৪২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


भाशेईन মিত্র । প্যারীচাঁদ মিত্র ওরফে টেকচাঁদ ঠাকুর ১২২১ সালের ৮ই শ্রাবণ কলিকাতা নিমতলায় জন্মগ্রহণ , করেন। ইছার পিতার নাম-রামমারায়ণ মিত্র। রামনারায়ণ সঙ্গীত-বিদ্যায় বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। ইহঁরই উদযোগে রাধাৰোহন সেন মহাশরের প্রসিদ্ধ সঙ্গীতভবঙ্গ” গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। ৰাঙ্গাল, পারস্য ও ইংরেজী এই ত্রিবিধ ভাষাতেই প্যারীচঁাদ বিশেষ ব্যুৎপত্তি লাভ করেন। ১৮৩৫ খৃষ্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে ইনি কলিকতা পাবলিক লাইব্রেরীর ডেপুটী লাইব্রেরিয়নে’র পদে মনোনীত পরে উক্ত লাইব্রেরীর সেক্রেটারীও লাইব্রেরীররে পদেও উন্নীত হইয়াঙিলেন । কিন্তু পরিশেষে, এক্ট উচ্চপদ স্বেচ্ছায় পত্যিাগ করিয়া, প্য রীচঁাদ ব্যবসায়ে মনোনিবেশ করেন। এইবার লক্ষ্মী ইহঁর প্রতি প্রসন্ন হন, এবং অচিরে সেই ব্যবসায় হইতে ইনি যথেষ্ট অর্থ উপার্জন করেন । বাঙ্গালী সাহিত্য ইহার । নিকট বিশেষ ঋণী। ইহার রচিত "আলালের ঘরের দুলাল" বাঙ্গালী ভাষার প্রথম উপন্যাস। বঙ্গভাষাকে ইনি এক নূতন ছাগে গঠিত কবেন। পিতাব তার ইনিও সঙ্গীতের আলোচনা করিতেন। ১২১০ সালে ইমি মানবলীলা সম্বরণ করেন । ভৈরবী— একত্তালা । মনোযোগে মনে যোগ করহে সাধন । C4 5 미R || কি প্রয়োজন আসন, কি প্রয়োজন চন্দন, রেচক পুরকে নাহি কিছু প্রয়োজন ॥ অনুতাপ-অগ্নি জালি, চিও মধ্যে দেহ ঢালি, শ্রদ্ধা ভক্তি হবি দিয়া করহে দাহন ॥ মন অতি সমল, কর তারে নিৰ্ম্মল, পাইবে হে বিমল অমূল্য রতন ॥ ॐांग्रtख-भ५Tभtने । নও তুমি কেবল কাশীবাসী। ( বিশ্বেশ্বর হে ) যেখানে ভ্রমণ করি সেই বারাণসী ॥ তব রাজ্য সম্পূর্ণ নানা রত্বে পরিপূর্ণ, প্রকৃত অন্নপূর্ণ, তুমি ব্ৰহ্মাণ্ডনিবাসী। স্নান-তীর্থ নাহি দেখি, চিত্ততীর্থসদা সুখী । ধন মান চাহি ন হে, শাস্তি অভিলাষী ॥ রামকেী—কাওয়ালী। ত্ৰাণ কর পরমেশ্বর, ওহে বিশ্বেশ্বর। ভবের ভৌতিক ভাব ভবিয়া হই কাতর। দয় কর মোর প্রতি, আমি অতি মূঢ়মতি, করযোড়ে করি স্তুতি, সদা পাপে জরজর। " মন সদা উচাটন, বিষয়েতে সদা মন, তুমি হে অমূল্য ধন, সারাংমার পরাংপর ॥ সেহিনী বাহার-আড়া । প্রেমময় পাবে যদি হও প্রেমময় । প্রেমগতি প্রেম মুক্তি প্রেম সৰ্ব্বশ্ৰয় ॥ স্বজন পালন, জীবন মরণ, তারণ কারণ সব প্রেমময় | কোথায় অশিব, সৰ্ব্বত্ৰেতে শব, এ প্রেমে কি জীব উদ্ধার না হয়। যিনি প্রেমাধার, নিকটে তাহার, মাগ’ প্রেমধার, পাইবে নিশ্চয় ॥ পাপ বিসর্জন, অকপট মন, র্তাহাতে অর্পণ, কর বিনিময়। Žr আত্মবং ভাব, হুইবে স্বভাব, মনের কুভাব, যাইবে নিশ্চয় ॥ কামাদি প্রবল, দেখি প্রেমবল, ক্রমশ দুৰ্ব্বল, হবে অতিশয়। মরণের ভয়, হইবে অভয়, সব মুখময়, পাইবে—আলয় ॥ বিঝিট-জাড়া। তব অর্চনার কি ফল । মন শাস্ত হয় আর বাড়ে ধৰ্ম্মবল ৷