পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৮৩১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মতিলাল রায় । 登 ૧૭ જે ভৈরবী—পোস্ত । দাদা যাও যাও যাও দিয়ে—যাও ওপদরজ অনুজে । মরিরে রে প্রাণকুমার আমার, : কর আশীষ পামরে, পড়িলে সমরে, এ দশা তোর কে করিল। কৃষ্ণ যেন দেখা দেন ভানুজে। এই বিশ্বমাঝে কোন পাষণ্ড নবঘন দেখবে বলে, চলিলাম গরজে, ভীষ্ম-জননী নাম ঘূচাল ॥ পাছে প্রভাতের মেঘের মত বিফল গরজে, জানিরে তোর ইচ্ছা-মরণ, (মেঘে জল নাই জল নাই, কেবল আড়ম্বর ) এ দর্শ তোর কিসের কারণ, চাতুক উড়িল উড়িল, ওরে জীবন ধন, দুখিনীর অঞ্চলের নিধি, , সেই কাল মেঘের জল পিবে বলে) কোন পাষণ্ড হরে নিল । (পাছে অৰ্জুন-পবন লেগে আছে, উড়ায় পাছে) দেখেরে তোর জীর্ণ দেহ, বায়ুতে মেঘ উড়ায় পাছে, কার কি হলে না মোহ, তবে চাতক কিসে লাচে, তোর মাতামহ জগদিষ্ট সেই শ্ৰীকৃষ্ণ, সেই কাল মেঘের জল বিনে কি চাতক বাঁচে, বল দেখিরে কোথায় ছিল | I তবে চাওক কিসে বঁাচে ) கறும்_க পাছের বাজের আঘাত বুকেতে বাজে, মেঘে বজ্র জল সকলই সাজে, জীবন থাকিতে নাথ, কি যায় বিদায় দিতে রণে, যে কারণে দিলাম ইন্দ্র কবচ সহজে, প্রাণ আমার কেঁদে কেঁদে ওঠে আজ কি কারণে, অন্তকালে পাব বলে হরিপদ সহজে ; দাসীর উপায় কি ধৈর্য্য-ধারণে, (আমি চাইন চাইনা, বল বল ধরি শ্রীচরণে। (হরির পদ বিনা কিছুই চাইন ) দেখে তব আকার প্রকার সকলি দেখি অন্ধকার, (প্রাণ নিয়ে যকৃ নিয়ে যাকৃ সেই অৰ্জুন, ভাঙ্গল বুঝি হুখের বাজার, আমার কৃষ্ণ দিয়ে প্রাণ নিয়ে য'কৃ নিয়ে য'কৃ) আমার জ্ঞান হতেছে মনে, (প্রাণ অকাতরে দিব তারে, আমি কৃষ্ণে পাব, ( যেতে দিবন, দিবন, আমার প্রাণ থাকিতে ) ৷ |ণ দিয়ে প্রাণ কুষ্ণে পাব খাণ্ডব-দাহনকারী পাণ্ডবে কি চিন্‌লে নহে, আমি ডম্ব মেরে চলে যাব, (দেখ হরি যাদের আজ্ঞাকারী) এই ভবের হাটের মাঝে, ( যোগায়ু দ্বিজপদ-ধোবার বারি ) 1 আমি ডক্ষা মেরে চলে বাব) এখন সারথি অৰ্জুনের সনে, আমার ভজন পূজন নাই, তাইতে ভয় পাই, (সেই গোলোকপতি দাশরথি ) পাপমতি কুষ্ণ পাবে কি ভজে । এখন সারথি অৰ্জুনের সনে। int at Μubai i দাড়াও হে আমার সম্মুখে, এই বাসন পূরাও আমার বাঞ্জাকল্পতরু হরি। জীবন ত্যজিব মুখে, এবার যে দেহ ধরিবে সেই দেহ আশ্রয় করি। হরি হরি বল মুখে শ্রবণ করি শ্রবণে বিরাগ বারে করেন ধারণসেইত পায় হরি চরণ ( এই অস্তিমের নিবেদন, হরিনাম শুনাও) এই বার দেখিব হরি কর চরণ করেন শরণ; কোথা বুকেতু, আমার ম বলে ডাকুক বনে। হরিকে হরি বলায়ে কাদাব অষ্টপ্রহরি ॥ (আমি জন্মের মত শুনে যাব ) তুমি পদ দেও হৃদপদ্মাসনে, হরিনামে যত সুধা আছে কি তারত্ব করে। (এই দেখা হ’লে বুঝি পদ্মার সনে ) সুধাকরে কি এ মুধা ক্ষরে, এখন পদ দেও হদি পদ্মাসনে ॥ কটু তিক্ত যত আছে হরি নামে সব সুধা করে।