পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৮৩৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


A8ჯ. বাঙ্গালীর গান । যদি হরি দিতে চাও নিজ নাভিমণ্ডল, তাম চরণের গুণমালা, নাভি লাগি বলী ব্রহ্ম সদাই করিছে বল, এক মুখেতে যায় না বল, বলে মম বাসস্থল,— কণ্ঠ কহে শুম চরণ ভেল। বলীর বেড়েছে বল পেয়ে নাভীর শ্ৰীচরণ। ভবের জলায় বাধা গে1 ॥ যদি বক্ষ দিতে চাওহে মধুস্থদন, இம்துறும் বক্ষ দিলে রক্ষা নাই জন না কি জনাৰ্দ্দন, কমলার বাসস্থান, দিবে কি হে ভগবান, ভূগু মুনির পদচিহ্ন কোথা রাখবে নারায়ণ ॥ যদি হরি দিতে চাও আপনার নিজ কর, ঐ করেতে তোমার হয়েছিল দুষ্কর, মনে নাই বংশী ধর, বাম করেতে গিরি ধরা, ম। যশোদা ননীর তরে দু-করে করে বন্ধন ॥ যদি বদন দিতে চাও শুনহে শ্ৰীহরি, বদনের কথা শুনে মোরা ভয়ে মরি, এক দিন শিশুকালে, ঐ বদন দেখায়ে ছিলে ; ব্ৰহ্মাণ্ড দেখালে মুখে, মা যশোদা অচেতন ॥ যদি হে নাসিকা দিতে চাও গোকুলচন্দ, কমলা বিপক্ষ হবে, রবে না আনন্দ, হবে নিরানন্দ, রবে না আর সে আনন্দ, শ্রীরাধিকার অঙ্গ গন্ধ কিসে করবে গ্রহণ। যদি অক্ষ দিতে চাও শুন কমলাক্ষ, তবে তোমার রাইরূপ হইবে অলক্ষ্য, সে কষ্ট সব কেমনে, কাজ নাই আর কোনধনে, দয়া করে এ দিনহীনে অস্তিমে দিও শ্রীচরণ ॥ যদি হরি দিতে চাও আপনার নিজ শির, নন্দের বাধা মোহন চুড় রয়েছে শিরোপর, এক দিন মানের দায়ে, শির দিয়েছ রাধার পায়ে, নীলকণ্ঠ বলে সে সব কথা হয়েছ কি বিস্মরণ ॥ আমি গু মিকে চাই না, শুমের চরণ চাই গো, আমি ভবন চাই না, বিজন বনে শুামের পদের গুণ গাই গো ॥ আমি জানি আপন মনে, শক্তি নাই তামচরণ বিনে, শু মি করে শ্রামচরণ সেবন গো ॥ শুামের পদে মুখের শশী, গয়া গঙ্গা বারাণসী, শুমের চরণ অভিলাধি, উমাপতি সদাই গো। তোমা হীন দেশে হুই মহাজন, অথবা রাজেন বহু ধন স্তম, সে সুখ সম্পদে নাহি 'প্রয়োজন, বিসর্জন সে সুখ সঙ্গে । তব তীরে, হুই শরট করট, কিম্ব নীরে হই, কুন্তীর কমঠ, সেও ভাগ্য মনি, তট সন্নিকট জন্মি যদি আসি, কীট পতঙ্গে ॥ তব তীরে স্থান, তব নীরে স্নান, তব জল পান তব রূপ ধ্যান, যে করে জগতে সেই পূণ্যবান, শুনি পুরাণ প্রসঙ্গে । কণ্ঠ কয় যেদিনে স্মরি অম্বিকায়, এদেহ হারাবে পঞ্চ ভূতাত্মায়, সে দিনে এ দীনে রেখে রাঙ্গাপায়, ভেসে যেন কায় তব তরঙ্গে ॥ কত রঙ্গ জান তারা। মা তোর ভাব দেখে হই ভেবে সারা ॥ কতু করে ধর বেণু মা কভু করে আসি ধরা । কতু দণ্ড কমণ্ডলু ধরি, ঐরামের প্রেমে মাতোয়ারা ॥ অযোধ্যাতে রামরূপ, কামরূপে কামান্ত দার। শ্রীবৃন্দাবনে শ্রামরূপ, নবদ্বীপে নব গোরা ॥ ছয় শক্তি চতুঃষষ্টি সঙ্গিনী যোগিনী যারা। (এখন) গোস্বামী মহস্ত রূপে, সহচর হয়েছেন তার ॥ কণ্ঠ কয় রুধির ধারা না হেরি তোর পূর্ব ধারা। ( এখন ) হরবোলে বাহুতুলে নয়ন বেয়ে পড়ছে ধারা ॥ । অদ্ভুত শঙ্কররূপ স্বরূপে আবৃত করা। করিতে জগতের ইষ্ট অস্তে কৃষ্ণ বহির্গের ॥