পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৮৪৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নীলকণ্ঠ মুখোপাধ্যায়। তেমনি করে একদিন লুকাব গোপনে, গোধন চরায়ে সব,— ভুলেও তো দেখা দিবন স্বপনে, নন্দের বাধা বহি,৩ছ শিরে, আমার বিহনে, মদনমোহনে, ননীচোরা নাম বলে গোপিনিরে, বিচ্ছেদশর যেন বেঁধে । হ’লে চোর-অপবাদ এই ব্ৰজপুরে, আমারে দেগো মোহন-চুড়া বেঁধে ॥ নীলকণ্ঠ কি মা পাসরিছ ॥ মানের ঘোরে যে দিন ঘটিবে প্রমাদ, তোমরা বল গো সখি, বসনে ঝাপিয়ে রাখবেন বদনচাদ, প্রিয় আমার কোন দেশে । নীলকণ্ঠ বলে এবার মেগে অপরাধ, আনিতে সুধি হয় গো আমার, ধরিব যুগল পদে। চাব কুশল সস্তোষে ॥ আমায় দেগো মোহন-চুড়া বেঁধে । যোগিনীর বেশ ধরি ভ্রমব নগরে, து.ா খুজিব সেই প্রণ বঁধু প্রতি ঘরে ঘরে, কালো কেন রাই ত্যজিব ধনী। কালো ত্যজে, ব্রজের মাঝে, মুখে আছে কোন রমণী ॥ ময়ূর ময়ুর কালো, ভ্রমর ভ্রমর কালো, তোর নয়নের তার কালো, কালো ত্যজিলে হৰি অন্ধকনী ॥ কালরূপ উপাসনা,কালরূপ বাসনা, কালরূপের করে ভাবন, কালীপূজা কি মনে নাই ধনী। কাল ভালবাস রাই, কাল বিনা কিছুই নাই, (সকলের সার কাল তোর কানাই) কাল ভাল কণ্ঠের বাণী ॥ গুমা শ্ৰাম হয়েছ। তখন হাসিত হাসিতে, সুতীক্ষ্ণ আসতে,— মাশিতে দানবকুল, এবে গোকুল আকুল, আজ বাণীতে করেছ। নর-শির-হার ছিল গলোপরি, এবে পীতাম্বর বেশ বনমালাধারী, কেন রুধিরেতে মাখা, দিয়েছ সব ঢাকা, *এবে অলকা তিলকাময়,— সঙ্গে যত ডাকিনী যোগিনী, এবে তার তোমার গোকুলের গোপিনী, সেজেছ মা ভাল শিব-সীমস্তিনী, গোপীদের হুকুল আকুল করেছ। , মুখাময়ী সুধা খাইতে মাসদ, (এবে) ক্ষীর সর ননী এখন বোগান যা যশোদ, ব্রজ রাখলের গলে,ফেয় মনে বলে, , | যেখানে তার সন্ধান পাব, সেইখানে আমি যাব, কৰ্ণেতে কুণ্ডল নিব, বঁধবো জটা কেশেতে ॥ পার্থী হয়ে উড়ে যাব, যেখানে প্রাণসখী পাব, লুকাইবার নয় গো বৃন্দে আছে হুনয়ন বাকযোগিনীর বেশে নিতি, প্রতি ঘরে ঘরে খুঁজলো, নীলকণ্ঠ কয় এনে দিব মন বাধা ধার মনসরসে ॥ } মরি মরি সখি, তমাল দেখে আমার অঙ্গ পোড়ে মরি গে শ্রাম বিচ্ছেদ শরে। তমালের অঙ্গের বরণ, গুমের গুম অঙ্গ যেমন, তমাল করিলে দরশন, আমার অঙ্গ শিহরে। তমালতলে গুণনিধি ভ্ৰমতেন নিরবধি, গিয়েছেন শুাম যে অবধি, সে অধধি যাইনে তমালের ধারে ॥ তমাল বন তমাল তলা, ফুরয়েছে সে সব খেলা, কণ্ঠ কহে চিকণ কাল না রহে তমাল ছেড়ে ॥ \ দুখিনীরে দুখ দেওয়া উচিত নয়। ওহে নীরদ বরণ রসময় । না পেলাম যোগের তত্ত্ব, চাইলে ধন সম্পত্ত, छौदम षषाग्न नग्न, ८कवणबद्ध थाटन रेष६ इञ्च । কাষ্ঠ হ’লে পুড়ে স্থাই হতে, পাষাণ হলেও গলে যেতো, * এতো গ’লবার নয়, পোড়বার নয়, শুনছে রসময়, যেমন উদ্ধির কালি : भूतtजणवांद्र ना ॥