পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৯৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Ա 囑 বাঙ্গালীর গান । কিয়দংশও সত্য বলিয়া গ্রহণ করা যায়, তবে রামপ্রসাদের কত্ত অমূলা গীত-রত্ন যে কাল-কবলে গ্ৰপ্ত হইয়াছে, তাহ সহজেই প্রতীত হয় তাহার একটি গানের ভণিতা দেখিয়া, তিনি লক্ষ সঙ্গীত রচনা করিয়াছিলেন বলিয়া কেহ কেহ সিদ্ধান্ত করেন। অথচ, সে সকল গামের অধিকাংশেরই BBDD gDD BBBS BB DS BBBB BBBB BBBB BBBD BB gDD BBBBBBB BDD চলিয়া যাইতেছে ; এবং রামপ্রমাদের রচিত অনেক গানের কলি ও শব্দ প্রভৃতি কালক্রমে পরিবর্তিত হইতে চলিয়াছে। এই সংস্করণে আমরা বামপ্রসাদের গানেব যে দুই একটা পাঠান্তর মন্নিবেশ করিয়াছি, তাহতেই উক্ত সিদ্ধান্তের সার্থকতা প্রতিপাদিত হইবে। রামপ্রসাদ কালী-সাধনায় জীবন অতিবাহিত কবিয়াছিলেন ; কালী-কীৰ্ত্তনই উহার সর্বশ্রেষ্ঠ সঙ্গীতBBS BBBBBS BBB BB uB BBB BBBBB BBB BBB BB BBBBB এক্ষণে দৃষ্টিগোচর হয় ; কিন্তু তাহার পুনরুদ্ধার-অশি স্বদর-পরাহত । কোথাও কোনও উপলক্ষBBBB BBBS BBB BBB BBBB BBB KBSBBS BB BBBBB BBBB BBBBBB KBD আসিয়া দোল এবং রথ সম্বন্ধে তিনি কয়েকটা স্বন্দর সঙ্গীত রচনা করিয়াছিলেন ; কণীধামে গমন BBB BB DBBBB BBB BBB BB BBBBBBS BBBB BB BB BBBB BBBBB মুর্শিদাবাদ যাইবার সময় গঙ্গা-বক্ষে নৌকাব উপর বসিয়া, রামপ্রসাদ মহারাজকে গান শুনাইভে. ছিলেন ; দূর হইতে সেই গান শুনিয়া নবাব সিরাজদ্দৌলা তাহাতে আকৃষ্ট হন । সেই উপলক্ষে স্বামপ্রসাদ কয়েকটা গান রচনা করিষা নবাধকে শুনাইয়াছিলেন। আজু গোসাই ( অযোধামাথ—কাহারও মতে অচ্যুতচরণ, ) এব রামপ্রসাদ দুই জনেই সম-সাময়িক, দুই জনেরই নিবাস এক গ্রামে, দুই জনেই ভাবুক ও কবি ; তবে বামপ্রসাদ শক্তিব উপাসক, আর আজুর্গোসাই ৰৈফব। মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র এই দুই কবির মধ্যে সঙ্গীত-রচনায় দ্বন্দ্ব বাধাইয়া দিতেন । তা হাভেও রামeাসীদের বহু সঙ্গীত রচিত হইয়াছিল । রামপ্রসাদের সাধন-সম্বন্ধে অলৌকিক ইতিহাস শুনিতে পাওয়া যায়। কাশীধামে অন্নপূর্ণ স্বপ্নে দেখা দিয়া রামপ্রসাদকে গান-রচনা করিতে বলিয়াছিলেন; এবং সেই আদেশ-বশতই রামপ্রসাদ অন্নপূর্ণার tBB BD BBBBBDDD S BBBB BB BBBB BBB BB BB BBB BBB KK DDD DBD DBB BBD BBBSBBB S BBBBB BBBS BB BBBB BB BBB BSBBD DSDDD DDDDD করিতেছেন। রামপ্রসাদ, মৃত্যুর পূর্করাত্রে কালীপূজা করিয়া আত্মীয়-স্বজনকে আন মৃত্যুর সংবাদ কহিয়াছিলেন। মৃত্যুব দিনও গান গাহিতে গাহিতেই তিনি প্রাণত্যাগ করেন। -ই পুত্র ও দুই কস্থ্য রাখিয়া রামপ্রসাদ ইহলোক ভাগ করেন। রামপ্রসাদের সঙ্গীতে তাহার কবিত্ব, ভাবুকত এবং তত্ত্বজ্ঞানের বিশেষ পরিচয় পাওয়া যায় । কুমিপ্রসাদ বাঙ্গলার সঙ্গীত-সৌধের ভিত্তিরূপে অবস্থিত। যতদিন বঙ্গভাষা থাকিবে, বাঙ্গালীর অস্তিত্ব থাকিবে, ঐ ভাবুক ভক্ত কবির স্মৃতি হৃদয়ে হৃদয়ে বিদ্যমান রহিবে।