পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৯৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


او. কুপুত্র অনেক হয় মা, কুমতি নয় কখন তো! 曹 | 케 রামপ্রসাদের এই আশা ম',

  • - অস্তুে থাকি পদানত * }

জংলী-একতাল । আর কাজ কি আমার কাশী । মায়ের দতলে পড়ে আছে গয়৷ গঙ্গা বারাণসী ৷ হৎকমলে ধ্যন-ক’লে, আনন্দ-সাগরে ভাসি । ওরে কালীর পদ কোকনদ, তীর্থ রাশি রাশি ॥ কালী নামে পাপ কোথ, মাথা নাই তার মাথা-ব্যথা । ওরে অনলে দহন যথা, হয়রে তুল-রাশি । গয়ায় করে পিণ্ডদান, বলে পিতৃঋণে পাবে ত্রাণ ওরে যে করে কালীর ধ্যান, তার গয়া ওনে হাসি কাশীতে যোলেই মুক্তি, এ বটে শিবের উক্তি। ' ওরে সকলের মূল ভক্তি, মুক্তি তার দাসী ৷ নিৰ্ব্বণে কি আছে ফল, জলেতে মিশায় জল । ওরে চিনি হওয়া ভাল নয় মন, চিনি খেতে ভালবাসি | কৌতুকে প্রসাদ বলে, করুণানিধির বলে। ওরে চতুৰ্ব্বৰ্গ করতলে, ভাবিলে রে এলোকেশী। মন রে কুষি কাজ জন না । এমন মানব-জমী রইলো পতিত, আবাদ করলে ফলতো সোণ ৷ কালী নামে দেওরে বেড়াফসলে তছরূপ হবে না সে যে মুক্তকেশীর (মনরে আমার) শক্ত বেড়া, তার কাছেতে যম ঘেঁসে না | অদ্য অব-শতস্তে বা, বাজাপ্ত হবে জান না। আছে এক্তরে মন, এই বেল তুই । চুটিয়ে ফসল কেটে নেন। গুরু রোপণ করেছেন বীজ, { ভক্তি-বারি তায় সেঁচ না ।

  • পাঠান্তরে—"প্রসাদ যে কু-পুত্র মা তেল,

করে বেগে পদ মন্ত ” পাঠান্তরে—“এখন আপন ভেবে মনরে আমার যতন করে" ইত্যাদি । # পাঠান্তরে—“গুরুদও বীজ রোপণ করে।”

    • o

品 _ம் i বাঙ্গালীর গান ! ওরে এক যদি, ( মন রে আমার ) পাবিস মন, রামপ্রসাদকে ডেকে নেন ৷ বল মা আমি দাড়াই কোথা । * আমার কেহ নাই শঙ্করী হেথা ॥ মার সোহ গে বাপের আদর এ দৃষ্টান্ত যথা তথা । যে বাপ বিমাতাকে শিরে ধরে, এমন বীপের ভরসা বৃথা ॥ তুমি না করিলে রূপ, যাব কি বিমাতা যথা । যদি বিমাতা আমায় লরেন কোলে, দূরে যবে মনের ব্যথা ॥ " প্রসাদ বলে এই কথা, বেদাগমে আছে গাথ1;— ওমা যে জন তোমার নাম করে, তার হাড়-মাল আর ঝুলি-কঁথা । Co. ললিত বি ভ ম - একতাল । কেবল আসার আশা,ভবে আসা,আসা মাত্র হলো যেমন চিত্রের পদ্মেত পড়ে, ভ্রমর ভুলে রলে ॥ মা নিম খাওয়ালে, চিনি বলে, কথায় করে ছলে । ওমা! মিঠার লোভে, তিত মুখে সারা দিনটা গেলে । মা খেলবি বলে, ফঁকি দিয়ে নাবালে ভূতলে । এবার যে খেল খেল'লে মাগে, আশা ন পুরিলো ॥ রামপ্রসাদ বলে ভবের খেলায়, ধা হবার তাই হলো। এখন সন্ধ্যা বেলার কোলের ছেলে, বরে নিয়ে চলো ॥ அறகறது

  • কোথাও এইরূপ পাঠান্তর দৃষ্ট হয় ;– বল মা আমি লড়াই কোথা । আমার কেহ নাই শঙ্করী হেথা । নমস্তৎকৰ্ম্মভ্যো বলে, চলে যাব যথা তথা । আমি সাধুসঙ্গে নানা রঙ্গে, পূব করিব মনের বাথ ।

তুমি গোপাধাণের মুহা, আমার যেমনি পিতা তেমমি মাত । রামপ্রসাদ বলে, হৃদি-স্থলে,গুরু-তত্ত্ব রাণু গাখ। + পৃষ্ঠান্তরে—“দেখা নাই আর হেথ লেখা ৷”