পাতা:বিষাদ-সিন্ধু.djvu/৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করার সময় সমস্যা ছিল।


চেতলায় অবস্থানকালে মেীলভী নাদির হোসেনের প্রথম কা লতিফুন্নেসার সহিত মোশারূরফ হোসেনের বিবাহ সম্বন্ধ স্থির হয়। এ সংবাদ পিতামাতা অথবা বাড়ীর অন্ত কেহ জানিতেন না। নানা কারে এই নির্দিষ্ট কন্যার সহিত বিবাহ না দিয়া নাদির হোসেন সাহেব দ্বিতীয় কা৷ মোসাম্মাৎ স্বাজিজুন্নেসার সহিত তাহার বিবাহ দেন। ১৮৬৫ খৃষ্টাব্দের ১৯শে মে এই বিবাহকাৰ্য্য অনুষ্ঠিত হয়। পিতৃবষ্ণুর এই আচরণে। সোণাফুফ হোসেন অত্যন্ত দুঃখিত হইয়াছিলেন। ইহার আট বৎস পরে তিনি পুনরায় বিবাহ করেন। তার এই নব পরিণীতা স্ত্রীর ম বিবি কুলমুম। বিবি কুলসুমের অনেকগুলি পুত্রকা হইয়াছিল॥

মীর মোশাৱক হোসেন পাঠ্যজীবন শেষ করিয়া সংসারজীবনে প্রবেশ করিলেন। তিনি জীবনের অধিকাংশ সময় জমিদারী:শেরেস্তায় চাকরী করিয়া ছিরেন। ফরিদপুর নবাব এঠেটে দীর্ঘকাল কাৰ্য্য করিবার পর &ং:৭২১ সাল হইতে ময়মনসিংহ জেলার টায়াইল মহকুমাস্থ গজনজী সাহেবদের দেলদুয়ার এস্টেটের ম্যানেজার পদে কাৰ্য্য করিতে। থাকেন। জীবনের শেষ সময় পর্য্যন্ত তিনি এই পরে প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। বসিয়া গুনা যায়।

মীর মোশারূফ হোসেন দীর্থ চল্লিশ বৎসর কার্ল বাংলা সাহিত্য সেবা করিয়া গিয়াছেন। এই সাহিত্যসেবার মধ্য দিয়া দেশ ও সমাজের কাছে?ার পরিচয়।. সাহিত্যিক হিসাবে কে কে তাহাকে চিনিয়াছে, তার প্রতিভার পরিচয় পাইয়াছে। তিনি সময়ে সাহিত্যসেবায় হাত দিয়াছিলেন তখন সাহিত্যসেবীদের অশ্ববি অন্ত ছিল না। কাগজ তৎন এখনকার মত প্রচুর পাওয়া যাইত ন' ছাপাখানারও সংখ্যা ছিল অন্তি মুষ্টিমেয়, কোন ‘গ্রেসে’ বই দশ দিয়া গ্রন্থকারকে ধৈর্য্যহার। হইতে হইত। কারণ মুদ্রান্ত্রে। হইতে বই বাহির করা সহজ সাধ্য ছিল না। এমনি। রে মোশাব্বরফ হোসেন সাহিত্য চৰ্চা