প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বিষাদ-সিন্ধু এজিদ্‌-বধ পর্ব.pdf/১৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


రి এজিা-বধ পৰ্ব্ব । সহস্ৰ অশনীপাতের সঙ্গে গভীর ঘনঘটা সদৃশ ভীষণরূপ দেখাইক্ষে থাকে। সে সময় জিত পক্ষের চালিত অস্ত্রের চাক্‌চক্যে মহাবীরের হৃদয় কম্পিত হয়। হতাশে বুক ফাটিয়া যায়। আজু দামঙ্গ-প্রান্তরে তাহাই ঘটিয়াছে। মদিনার সৈন্তদিগের চালিত অক্সের চাকুচক্যে এজিদ-সৈন্ত ক্ষণে ক্ষণে আত্মহারা হইতেছে । তাহাব। আস্মানে কি জমিনে, তাহার কিছুই নির্ণয় করিতে পারিতেছে না। তবে বিপক্ষগণেব অস্ত্রেব ঝঞ্চনি শব্দে চমক ভাঙ্গিয়া, রণরঙ্গের কথা মনে পড়িতেছে বটে, কিন্তু সে সময় প্রাণভয়ে প্রাণ, চতুগুণ আকুল হইতেছে। দেখিতেছে যেন প্রাস্তুরময় বৃষ্টিপাত হইতেছে —গগনস্থ ঘনঘট হইতে কুষ্টি হইভুেছে না। সে রক্তবৃষ্টি মেঘ হইতে ঝরিতেছে না। করিতেছে—দামঙ্গ-সৈন্তেব শরীর হইতে , আব ঝরিতেছে—আম্বাজী-সৈন্তের তববাবার অগ্রভাগ হইতে— মেঘমালার খণ্ড খণ্ড অংশই শীল,—তাহাবও অভাব হয় নাই—খণ্ডিতদেহের খণ্ড খণ্ড অংশই লে ক্ষেত্রে শিলারূপ দেখাইতেছে। দামস্ব-প্রান্তর—দামস্ক-সৈন্ত-শোণিতেই ডুবিয়াছে। বক্তের ঢেউ খেলিতেছে। মহাবীর হানিফার সম্মুখে যে সৈন্যদলই পডিয়াছে, সংখ্যায যতই হউক, তৃণবং উডিয়া খণ্ডিত দেrে ভূতলশায়ী হইয়াছে। সে বঙ্কিত তববারীধারে খণ্ডিত-দেহের রক্তধার—ধরণী বহির, মরুভূমি সিক্ত কবিয়া গ্রাস্তুরময় ছুটিয়াছে । কিন্তু হানিফার মমের জাগুণ নিবিতেছে না । মদিনাবাসীর ক্রোধানল একটুকুও কমিতেছে না । প্রভু হোসেনের কথা, কারবালা গ্রাস্তরে একবিন্দু জলেব কথা, হোসেনের ক্রোড়স্থিত শিশু সস্তানের কোমল বক্ষ ভেদ করিয়৷ শেহ তীর প্রবেশের কথা মনে হইয়। হানিফাব প্রাণ অাঁকুল কবিযাছে। বিশ্বরিত চক্ষে রোষাগ্নিৰ তেজ বুহিয়৷ অবশেৰে বাষ্পবারি বহাইয় এক প্রকার উন্মদের ন্যায় করিষা তুলিয়াছে। কৈ এজিদ। কৈ সে দুরক্সি এজিদ ! কৈ সে নবাধর্ম পাপিষ্ঠ এজি{? কৈ এজিদ। মুখে বলিতে বলিঞ্জে এজিদান্বেষণে অশ্বে কশাঘাত করিয়াছেন। সে যুক্তি এজিদের চক্ষে পড়িতেই এজিদ ভাবিয়াছিলেন যে, এ মহাকালের হস্ত হইতে আর রক্ষা নাই। পুগানই শ্ৰেয় । বীরের চার ধঙ্ক বিস্তাবে হানিফার সর্মুখে দণ্ডায়মান হইয়া “আমি এজিদ, আমিই