প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বিষাদ-সিন্ধু এজিদ্‌-বধ পর্ব.pdf/১৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


वॆिष्ठीघ्न थदtङ् । } } সেই মদ্বিার মহাবীরগণের কালস্বরূপ এজিদ হানিফ আইল, তোমাকেও ভবযন্ত্রণার দায় হইতে মুক্তি করিয়া দেই” এই সকল কথার পরিচয় করা দুরে থাকুক, যেই দেখা অমনি পলায়নের চেষ্টা, প্রাণভয়ে দামস্বরাজ অশ্বারোহণ করিয়া যথাসাধ্য অশ্ব চালাইয়াছেন । *O হানিফাও এজিদের পশ্চাৎ পশ্চাৎ ফুলস্থুল উঠাইয়াছেন। এ দৃষ্ঠ অনেকেই দেখেন নাই । রণরঙ্গে মুতোয়ার বীর সকল একথা অনেকেই শুনেন নাই । যাহারা দেখিয়াছেন, র্যাহারা শুনিয়াছেন, তাহারাও তাহার পর কি ঘটিছে, কি হইয়াছে, এ পর্যন্ত কোন সন্ধান প্রাপ্ত হন নাই। কোন সন্ধানি সন্ধান আনিতে পারে নাই । . এদিকে মসহাবকাঙ্ক, উমর আলী, আক্কেল আলী (বহারাম ) প্রভৃতি মহামহিম যোৰসকল কাবেরদিগকে পশু পক্ষীর স্তায় যথেচ্ছ বধ করিতে করিতে অগ্রসর হইতে লাগিলেন। গাজী রহমানের পূর্ববচন সফল হইল। এজিদ সৈন্ত প্রাণভযে পলাইয়াও প্রাণ রক্ষা করিতে পারিতেছে না। অশ্বের দাপটে, তববারীর আঘাতে, বর্ষার স্বহ্মাগ্রে, তীরের লক্ষে, গদার প্রহীরে, খঞ্জরের চুপিটভধারে প্রাণ হাবাইতেছে। কত শিবির, কত চন্দ্রাতপ, কত উষ্ট্র, কত অস্ত্র, প্রজ্জ্বলিত অগ্নিশিখায় ছছ পদে পুড়িা ছাই হইতেছে। এজিদ পক্ষের জীবন্ত প্রাণী আর কাহারও চক্ষে পড়িতেছে না। দৈবাৎ দেখা পাইলে মার মাব শব্দে চারদিক হইতে হানিয়ার সৈন্তগণ, তাহাকে ঘিরিয়। ক্রীড়া কৌতুক, হাসি রহস্ত করির মারিয়। ফেলিতেছে। ক্রোধের ইতি নাই, মার মাব শদের বিরাম নাই। সময় সময়ু মুখে, সেই হৃদয়-বিদারক মৰ্ম্মঘাতি কথা কহিয়া নিজে কান্দিতেছেন, জগৎ কান্দাইতেছেন। হার হাসেন ! হায় হোসেন ! ত্ত্বোমবা আজ কোথায় ? • সে মহাপ্রান্তর কারবাল কোথায় ? ফেরাতের উপকুল কোথায় ? যে সৈন্তাল ফেরাতের জল লইতে পথ বন্ধ করিয়াছিল, তাহাবাই বা কোথায়? কৈ এজিদের সৈন্ত ? কৈ এজিদ ? কৈ তাহার শিবির ? কিছুই তাঁচক্ষে দেখিতেছি না। প্ৰভু ! হোসেন ! তুমি কোথায় ? , এদৃপ্ত তোমাকে দেখাইতে পারিলাম না। অহে । কাসেম । মদিমার শ্রেষ্ঠ : বীর কাসেম !! একবিন্দু জলের জন্ত, হায় । ইয়! একবিন্দু জলের জন্য কি ना पब्रिांटह५ उह ! *ौंक निशांक्रन क५। । अनश्वानांछ काउब्र इइंबt #डूशृब