প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বিষাদ-সিন্ধু এজিদ্‌-বধ পর্ব.pdf/১৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


* : এজিদ-বধ পৰ্ব্ব । আলী আকবর পিতার জিহা পৰ্য্যন্ত চাটিয়াছিল। হায় ! সে দুঃখত কিছুতেই যায় না । কারবালার কথা কিছুতেই ভুলিতে পারিতেছি ਜੋ। সে দিন রক্তের ধার ছুটিয়া কারবালা—প্রাস্তর ডুবাইয়াছে । আজ দামস্ক প্রান্তর— দামঙ্গসৈন্ত-শৈাণিতে ডুবিয়াছে। দামস্বরাজ্য মদিনীর সৈন্ত পদতলে দলিত হইতেছে। আশা মিটিতেছে না। সে মনবেদনার অনুমাত্রও উপশম বোধ হইতেছে না । বুঝিলাম, হোসেন শোক অস্তব হইতে অস্তর হইবার নহে, মানিলাম কবিবালার ঘটনা, মদিনার মাৰ্যমুনার কীৰ্ত্তি, জায়েদার আচরণ জগৎ হইতে যাইবার নহে। চন্দ্র, স্বৰ্য্য, তারা, নক্ষত্র যতদিন জগতে থাকিবে, ততদিন সকলের মনে সমভাবে, জলস্তরূপে বিষাদ রেখায় অঙ্কিত থাকিবে - (; - সমরাঙ্গনে অস্ত্রাগ্নি নিৰ্ব্বান হইয়াছে। কিন্তু আগুণ জ্বলিতেছে । উদ্ধে অগ্নিশিখা—নিম্নে রক্তের/খেলা । রক্ট মাখা দেহ সকল, রক্ত স্রোতেই— ভাসিতেছে, ডুবিতেছে, গড়াইয়া বাইতেছে। সৈন্তদল সহ মসহাবকাঙ্ক প্রভৃতি নগবের নিকট পর্য্যন্ত আসিলেন। শত্ৰ পক্ষীয় একটা প্রাণী ও তাহাদেব চক্ষে পড়িলনা । জয়নছু আবদিন সহ, গাজীরহমান নগব প্রবেশ দ্বার পর্য্যস্ত গিয়া হানিফাব অপেক্ষা করিতেছেন । কাক্কার দল আসিয়। জুটলুেই জয় মদিন ভূপতির জয়, জয় মহারাজ জয়নাল আবদিনের জয়, ঘোষণা করিতে করিতে বরদাপে নগবে প্রবেশ কবিলেন। কার সাধ্য বাধা দেয়। কে মাথা উঠাইয়া সে বীরগণের সম্মুখে বক্ষ বিস্তাবে দণ্ডায়মান হয়। কাহার সাধ্য একটা কথা কহিয়ু সরিয়া যায় । জন প্রাণী দ্বারে নাই। রাজপথেও কোন লোক কোন স্থানে কোন কার্য্যে নিয়োজিত নাই। পথ পরিস্কার –জনত, কোলাহলের নামমাত্র নাই। কেবল স্বদল মধ্যে, মধ্যে মধ্যে মার মার কাট কাট শব্দ, জয় জয়নাল আবিদিন। জয় মহাম্মদ হানিক। আর বছরে প্রাণভট পৰ্যায়নের কোলাহল আভাযু। শক্ৰ হন্তে, ধন মান প্রাণরক্ষ হইবে না ভাবিয়া অনেকেই ঘর বাজী ছাডিয়া পলায়নের উদ্যোগ করিতেছে । বক্ষার উপায় ভাবিতেছে। পরস্পর এই সকল কথা, ডাকা হাক গ্রন্থানের লক্ষণ অনুমানে অনুভূত হইতেছে ! दिन যুদ্ধে, বিন লাক্য ব্যয়ে, গাজী রহমান মহা মুহা বীরগণ ও