প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বিষাদ-সিন্ধু এজিদ্‌-বধ পর্ব.pdf/২২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


এজিদ-বধ পৰ্ব্ব। "שכל মহারাজ জয়নাল অবিদিনের জয় । সৈন্যগণের মুখে বারবার উচ্চৈঃস্ববে উচ্চারিত হইতে লাগিল । রাজপথে অন্য লোকের গতিবিধি নাই । ५क्षिा পক্ষের जनéथांशौन्न नांग भांब नशं८ब्र नॉई। पूरकद्र श्रन्द्र बांक्लो घुब्र সকল পুন্য অবস্থায় পড়িয়া আছে। i. কিছু দূর যাইতেই দামঙ্ক রাজপুরীর স্বরঞ্জিত অত্যুচ্চ প্রবেশদ্বার সকলে নয়নগোচৰ হইল। এত সৈন্য, এত ಇಶ್ಕ ಆಕ উষ্ট্র, এত নিশান, এত ডঙ্কা, এত কাড়া, রাজপথ জুড়িয়া হুলস্থল ব্যাপারে যাইতেছে। ঐ সকল কোলাহল ভেদ করিয়া দ্রুতগতি অশ্ব সঞ্চালনের তড়াক্ তড়াক পদশব্দ সকলেরই কর্ণকুহরে প্রবেশ করিল। কিন্তু গাজী রহমানের আজ্ঞা ব্যতীত—বলিতে কিএকটা মক্ষীক উড়িয়া বসিবার ক্ষমতা নাই। কার সাধ্য স্থির ভাবে দাডहैब्रा পশ্চাৎ ফিরিয়া দেখে ? কাহার সাধ্য র্তাহার সন্ধান লয় ? কে সে লোক, পরিচয় জানে ?• মনের কথা মন হইতে সরিতে না সরিতেই বঁাশীর স্বরে কয়েকটী কৰা কর্ণে প্রবেশ করিল। “আম্বাজী—সংবাদবাহী, যুদ্ধক্ষেত্র হইতে সংবাদ লইয়া আসিতেছে। রাস্ত পরিষ্কার । দ্বিতীয়বার বাণী বাজিল, শব্দ হইল, “সাবধান।" সকলেই সাবধান হইলেন। সংবাদবাহীর অশ্ব, যেন বায়ুভরে উড়িয়া সকলের বামপাশ্ব হইয়া ফক্ষের পলকে গাজী রহমানের নিকট চলিয়া গেল । গাজী রহমানের নিকটস্থ হইয়া অভিবাদন পূর্বক বলিতে লাগিল। “দামস্থ নগরের মধ্য হইতে রণক্ষেত্ৰ পৰ্য্যন্ত জীবন্ত জীবের মুখ দেখিতে পাইলাম না। নগর অভ্যন্তর পথ, বৃক্ষেত্রে গমনের পথ, অন্য অন্য পথ ঘাট, মৃতদেহে পরিপূর্ণ, গমনে মহা কষ্ট । ধরাশায়ী খণ্ডিত দেহ সকলের সে দৃপ্ত দেখিতে ও মহা কষ্ট r বহু কষ্ট্রে রণক্ষেত্র পর্যন্ত স্থাইয় দেখিলাম, সব শৰাকার । খণ্ডিত নরদেহ এবং অশ্ব দেহ সকল, কতক অল্প রক্তে মাখা, কতক রক্তে প্লাবিত ; আজ দেখিলাম মরুভূমিতে রক্ত স্রোত প্রবাহিত। কি কাৰণ ৰুণ! একি শিবিরের ভাবশেষ হইতে এখনও ক্ষুদ্র ক্ষুত্র অগ্নি শিখ গছ ধূমরাশি অনবরত গগনে উঠিতেছে। কিঞ্চিৎ অগ্রসর হইতেই দেপিলাম যে, একজন ফকি রণক্ষেত্রের মধ্যে খণ্ডিত দেহ সকলের নিকটে ৰাষ্ট্রর কি যেন দেখিয়া দেখিয়া शरँडाइ। তার চলন জুলী অনুসন্ধানের