প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বিষাদ-সিন্ধু এজিদ্‌-বধ পর্ব.pdf/৩৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


झुठौग्न यवाश् । ૨ જે এজিদের •চক্রেই প্ৰভু হোসেনের কুফায় গমন সংবাদ । পরিজন সহ প্ৰভু হোসেন কুফায় গমন করিলেন। হতভাগিনীও সঙ্গে চলিল। হায় কোথায় কুল—কোথায় কারবালা। কারবালার ঘটন। মনে আছে সকলই, কিন্তু মুখে বৱিবার সাধা নাই। হায়! আমার জন্য কিনা হইল। মহাপ্রাস্তুর কারবালাক্ষেত্রে রক্তের নদী বহিল। শত শত সতী, পতিহার, পুত্রহার হইয়৷ আজীবন চক্ষের জলে ভাসিতে, লাগিল। মহা মহা বীর সকল, এক বিন্দু জলেব জন্ত লালারিত হইয়া শক্র হস্তে অকাতরে প্রাণ সমৰ্পন করিল। কত ব্রালকলালিক। শুষ্ককণ্ঠ হইয়া ছটফট করিতে করিতে, পিতাৰ বক্ষে, মাতার ক্রোডে দেহ ত্যাগ করিয়া অনস্তধামে চলিয়৷ গেল । , কাসেম সখিনার কথা মনে হইলে এখনও অঙ্গ শিহরিয়া উঠে। শোকসিন্ধু মধ্যে বিবাহ। কি নিদারুণ কথা। কাসেম সাধনার বিবাহ কথা মনে পড়িলে প্ৰাণ ফাটিয়া যায়। সে দুর্দিনের শেষ ঘটনায় ঘাহা ঘটিবার ঘটিয়া গেল । বিশ্বপতি বিশ্বেশ্বরের মহিমা প্রকাশ হইল। সে অনন্ত ইচ্ছাময়ের ইচ্ছ। পূর্ণ হইতে কাহার ৪ বাধা দিবাব ক্ষমতা যে নাই প্ৰভু হোসেন তাহাবই দৃষ্টান্ত দেখাইয়। শীমারের খঞ্জরে দেহ ত্যাগ করিলেন । হায় ! হোসেন ! হায় হোসেন রবে প্রকৃতির বক্ষ ফাটতে লাগিল। আমব তখনই দিন, মুনৰী মোহাম্মদের পরিজনগণ তখনই বন্দিনী । দামস্কে আসিলাম। আর রক্ষা নাই। এজিদ হস্ত হইতে আর নিস্তার নাই ! ডুবিলাম আর রক্ষার উপায় নাই। নিরাপ্রয়ার আশ্রয়ই ঈশ্বর। আশা ভরসা যাহা যাহা সম্বল ছিল, ক্রমে হৃদয় হইতে সরিয়া এক মহাবলের সঞ্চার হইল। এজিদ নামে আর কোন ভাই রহিল না। এই ছুরিক হন্তে করিতেই মন যেন ডাকিয় বলিল, এই অস্ত্র-ছরাচারের মাথা কাটতে এই অস্ত্র। সাহস হইল, বুকেও বল বঁধিল । পারিৰ,—সে অমূল্য রত্ন, রমণীকুলের মহামুল্য রত্ন, দক্ষ্য হস্ত হইতে রক্ষা করিতে পারিব । প্রতিজ্ঞ করিলাম। হয় দহ্যর জীবন, নয় ধনাধিকারিণীর জীবন এই छूब्रिকার অগ্রে । , হয়" এজিদের বক্ষে প্রবেশ করিবে ও নয় জয়নাকে চিরসন্তাপিত হৃদয়ের শোণিত পান করিবে। আর চিত্ত৷ কি ! নিৰ্ভয়ে,নিভাঁকে, সাহসে নির্ভর করিয়া বসিলাম। পাপীর চক্ষু এ পাপ চক্ষে কখনই দেখিব না ইচ্ছ। ছিন্তু। কিন্তুনিয়তির বিধানে সে প্রতিজ্ঞ ক্ব হইলম দাম্বন্ধে