প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বৈকালী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১০২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পারস্পর্য হুবহু একরূপ ন হইলেও নির্দিষ্ট কাল-সীমার মধ্যে স্বদেশে লেখা একই গান-কবিতার গুচ্ছ পূর্বোত্তর উভয় বৈকালীতে থাকিবার কথা। কিন্তু যে-কোনো কারণে হউক, সে প্রত্যাশার সর্বথা পূরণ হয় না। কেননা— ১ নষ্ট পাতার সংখ্যার সহিত রচনার সংখ্যা মিলাইয়া মনে হয়, পূর্ব-বৈকালীর সুদীর্ঘ কবিতা ‘পরবাসী চলে এসে ঘরে’ ( বর্তমান সংকলনে ক্রমিক সংখ্যা ৩৯ ) উত্তর-বৈকালী’তে দেওয়া হয় নাই এবং আমাদের অনুমানে বর্তমান সংকলনের ‘৩১' ৩২' ৩৩' ( প্রথম তথা দ্বিতীয় স্থচীপত্রের ২৮, ২৯, ৩০ ) দেওয়া হইলেও, নটর পূজার গীতিগুচ্ছের আনুষঙ্গে— আর রেখে না আঁধারে (পূর্ব-বৈকালীতে নাই ) আঁধারের লীলা அர் হে চির নূতন ( দ্বিতীয় সূচীপত্রে ?-চিহ্নিত ) ਾਂ । উল্লিখিত চারিটি গানের ঠিক কোনটি সংকলন করায় উত্তর-বৈকালীতে ৩১ সংখ্যা পূর্ণ হইয়াছিল, তাহাও জানা নাই। একাধিক গানের স্থান ছিল না। ? ৩১ সংখ্যা দিয়া প্রথমটির স্থান দেওয়া হইয়াছে প্রথম স্থচীপত্রে। ২ উত্তর-বৈকালীতে থাকিলেও, “আপনহারা মাতোয়ারা’ ও ‘আজি এই মম সকল ব্যাকুল’ গীতিকবিতা-দুটি (বর্তমান সংকলনের ‘৪২’ ও ‘৪৩ কিন্তু উত্তরবৈকালীতে ৩৬ ও ৩৮ সংখ্যা ) পূর্ব-বৈকালীতে দেওয়া হয় নাই ; এজন্যই সংকলিত দ্বিতীয় সূচীপত্রে পাওয়া যাইবে না। ৩ বাংলা ১৩৩২ সনের মাঘ শেষ না হইতে ‘ওগে। জলের রানী’ ( সংকলিত উভয় স্থচীপত্রেই সংখ্যা ৩৭ এবং বর্তমান সংকলনে ‘২০’ ) লেখা হয় এরূপ অনুমানের কারণ আছে ; উহার পুরোগামী গীতিকবিতা না ধরিলেও, রবীন্দ্রনাথের পুরাতন খসড়া-পাণ্ডুলিপিতে দেখা যায় উহার পরে, এমন-কি, পূর্বোত্তর বৈকালীতে সংকলিত আরও দুটি গানের পরে লেখা হয়— সে যে মনের মানুষ কেন তারে ইত্যাদি । এই গান এবং হয় তো ইতঃপূর্বে উল্লিখিত ‘আর রেখে না আঁধারে আমায়’ নটর পূজা’র এই গানটি কোনো বৈকালীতে সংকলন করা হয় নাই। একমাত্র অনবধানই ইহার কারণ হইতে পারে। শ্ৰীমতী রমা মজুমদার ( কর) -সংগৃহীত রবীন্দ্রনাথের যে পুরাতন খসড়া సెఇ