প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বৈকালী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১১৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ইতঃপূর্বে বৈকালী-সম্পর্কিত রবীন্দ্র-পাণ্ডুলিপির তালিকায় রবীন্দ্রসদনের ১২৭-সংখ্যক রবীন্দ্ৰ-পাণ্ডুলিপির বিবরণে বলা হইয়াছে, ১৩৩৫ সনে মহুয়া কাব্যে ( আশ্বিন ১৩৪৬ ) সংকলনের উদ্দেশে যথাপুর্ব রূপে অথবা বিচিত্র রূপান্তরে কোন কোন রচনা কবি উহাতে লিপিবদ্ধ করেন। কার্যতঃ সবগুলি মহুয়ায় গ্রহণ করা হয় নাই ; যেগুলিতে পরিবর্তন করা হইয়াছে, পরিবর্তনের প্রকৃতি ও পরিমাণ একরূপ নহে। মুদ্রিত কাব্যগ্রন্থে, যুগপং বৈকালীতে ও মহুয়ায়, যেগুলি আছে, সেগুলির পারস্পরিক তুলনা পাঠক নিজেই করিতে পারিবেন ; অন্য কতকগুলি রচনার রূপান্তরবৈচিত্র্য এ স্থলে অনুধাবনের যোগ্য ৩০ রবীন্দ্র-পাণ্ডুলিপি ১২৭ -আধারিত বর্তমান সংকলনের— Sa আমার লতার প্রথম মুকুল : আমার প্রাণের জাগরণী দূতী চেয়ে অাছে মোর পানে, শুধায় আমারে, “এসেছি এ কোনখানে ?" এসেছ আমার জীবনলীলার রঙ্গে, এসেছ আমার তরল ভাবের ভঙ্গে, এসেছ আমার স্বরতরঙ্গগানে জাগাতে সে কথা যাহা কেহ নাহি জানে ॥ আমার প্রাণের জাগরণী দূতী প্রভাতআলোকমাঝে শুধায় আমারে, “এসেছি এ কোন কাজে ।” এসেছ টুটিতে কাজের জটিল গ্রন্থি, বিরস চিত্তে অমৃত তুলিতে মস্থি', বাজাতে বঁাশরী প্রেমাতুর দুনয়ানে, মিলাতে তোমারে আমার আত্মদানে ॥ ৩• ১২৭-সংখ্যক রবীন্দ্র-পাণ্ডুলিপির বিবরণে বর্তমান বৈকালীর ৫, ৭, ৮, ৯, ১০, ২৬, ২৯, ৪৩, ৪৬, ৪৭ ও ৬৪ সংখ্যার নির্দেশ । তন্মধ্যে ৫, ৮, ২৬ ও ৪৩ মহুয়া কাব্যে গৃহীত আর ৭ ও ৯ অঙ্ক-যুক্ত রচনায় কোনো পরিবর্তন হয় নাই। স্বতন্ত্র আলোচনার বিষয়– “১০’, ‘৪৬’, ‘৪৭’, ‘৬৪' ও বিশেষভাবে ‘২৯’। Yeb.