প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বৈকালী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৯৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রবীন্দ্রনাথের আয়ুষ্কালে স্বতন্ত্র গীতিকাব্য -রূপে বৈকালীর সহিত পাঠক-সাধারণের পরিচয় ঘটিয়া উঠে নাই। অথচ জানা যায়, বিভিন্ন সময়ে এ বিষয়ে কবির আগ্রহ ছিল। প্রথমতঃ ১৯২৬ সালের মে মাসে ( ১২ তারিখ । বাংলা ২৯ বৈশাখ ১৩৩৩) কবি যখন অষ্টম বার বিদেশ ভ্রমণে বাহির হন তাহার পূর্বেই একখানি খাতায় আহপূর্বক বৈকালী কাব্য স্বহস্তে লিখিয়া প্রবাসী-সম্পাদকের উদেশে পাঠাইয় দেন ও লেখেন : “বৈকালী” লোকহস্তে পাঠাচ্চি। কালিদাসের চিঠিতে এর বিবরণ পাবেন। যেমন ইচ্ছা ছাপাবেন। পরে এগুলি বই আকারে বের করব ••• ২৯ বৈশাখ ১৩৩৩ আপনার ঐরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর” দ্বিতীয়তঃ কবি যুরোপে থাকিতে যখন দেখিলেন ‘হাতের অক্ষর থেকেই ছাপানে চলে। বিশেষ কালী দিয়ে লিখতে হয় এলুমিনিয়মের পাতের উপরে’, তখন যেভাবে লেখনের কবিতিকাগুলি একত্র লিখিয়া প্রচারের ব্যবস্থা করেন (আখ্যাপত্রে স্থান-কাল : বুডাপেস্ট /২৬ কার্ভিক/১৩৩৩), অনুরূপভাবে পরি বধি ত বৈকালীর গান-কবিতাগুলি দ্বিতীয়বার পর-পর সাজাইয়া উহার আখ্যাপত্রে লিখিয়া দেন : ১লা অগ্রহায়ণ/১৩৩৩/ বেলগ্রেড, ১ • দ্রষ্টব্য প্রবাসী, আশ্বিন ১৩৪৮, পৃ ৬৫৯। সম্পাদক শ্রীরামানন্দ চট্টোপাধ্যায়কে লেখা চিঠি। কালিদাস, শ্ৰীকালিদাস নাগ । গ্রন্থপরিচয়ে, উল্লিখিত বৈকালী ‘প্রবাসী-পাণ্ডুলিপি বা পূর্ব-বৈকালী আখ্যায় অভিহিত। শ্ৰীমতী শাস্ত নাগ উহা বিশ্বভারতীর রবীন্দ্রসদনে দান করিয়াছেন । ১ লেখন ও বৈকালীর উল্লিখিত তারিখ-দুইটি যথাক্রমে ১৯২৬ সালের ১২ ও ১৭ নভেম্বর। অর্থাং, লেখন এবং এই বৈকালী লেখায় স্থানগত ব্যবধান যেমন অল্প, কালগত বিচ্ছেদও তেমন নাই বলিলে চলে। লেখন বা বৈকালী-লিখন অবগুই এক দিনে হয় নাই। বালাটন ফুরেডের আরোগ্যভবন হইতে কবি বেলগ্রেডে আসেন ১৫ নভেম্বর তারিখে। এই বিদেশ-ভ্রমণের তথা বহু গান -রচনার বিবরণ পাওয়া যাইবে শ্ৰীমতী নির্মলকুমারী মহলানবিশ প্রণীত কবির সঙ্গে যুরোপে’ ( ১৩৭৬) গ্রন্থে। Ե\3