প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বৌ-ঠাকুরাণীর হাট-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১০৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


* বৌ-ঠাকুরাণীর হাট سا، د . আপশ্লোষে সারা হইতেছেন। এখন কী উপায়ে মেয়েকে শ্বশুরবাড়ি পাঠাইবেন, তাহাই ভাবিয়া তাহার আহার নিদ্রা নাই । রাজা কহিলেন "সত্য নাকি!” বলিয়া হাসিতে লাগিলেন, তামাক টানিতে লাগিলেন, বড়ই আনন্দ বোধ হইল । • মন্ত্রী কহিল “আমি বলিলাম, আর মেযেকে শ্বশুরবাড়ি পাঠাইয়। কাজ নই! তোমাদের ঘরে মহারাজ বিবাহ করিয়াছেন, ইহাতেই তোমাদের সাত পুরুষ উদ্ধার হইয়া গেছে । তাহার পরে আবার তোমাদের মেয়েকে ঘরে আনিয়। ঘর নীচু করা, এত পুণ্য এখনও তোমরা করো নাই ! কেমন হে ঠাকুর " রমাই কহিল, “তাহার সন্দেহ আছে । মহারাজ, আপুনি যে, পাকে পা দিয়াছেল, সে ত পাকের বাবার ভাগ্য, কিন্তু তাই বলিয়াঘরে ফুির नृथब्र धूझेब्र আসিবেন না ত কী ” এইরূপে হাস্যপরিহাস চলিতে লাগিল। প্রতাপাদিত্য ও উদয়৷ দিত্যের কাল্পনিক মূন্ত সম্মুখে রাখিয় তাহাদিগকে ক্ষতবিক্ষত কর: হইতে লাগিল। উদয়াদিত্যের যে কী অপরাধ তাহা বুঝিতে পারি না। তিনি যে নিজে বিপদকে অগ্রাহ করিয়া রামচন্দ্র রায়ের প্রাণরক্ষা করিলেন, সে সকল কথা চুলায় গেল, আর, তিনি প্রতাপাদিত্যের সন্তান হইঞ্জন, এই অপরাধে রামচন্দ্র রায় তাহার কথা তুলিয়া অকাতরে হাতপরিহাস করিতে লাগিলেন। রামচন্দ্র রায় যে নির তাহা নহে, उिंनि একজন লঘুহৃদয়, সঙ্কীর্ণপ্রাণ লোক। উদয়াদিত্য যে র্তাহার প্রাণ রক্ষা করিয়াছেন, তজ্জন্য তিনি কুতজ্ঞ নহেন । তিনি মনে করেন, ইহ। ত ইবেই, ইহা না হওয়াই অন্যায়। রামচন্দ্র রায় বিপদে 驚 প্লীহাকে সকলে মিলিয়া বাচাইবে না ত কী ! उँहाब्र भान श्य, ಟ পায়ে কাটা টলসমস্ত জগৎ-সংসারের প্রাণে বেদন লাগে। তিনি "নে করিতে পারেন না যে, পৃথিবীর একজন অতি ক্ষুদ্রতম লোক্ষরও