প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বৌ-ঠাকুরাণীর হাট-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বৌ-ঠাকুরাণীর হাট • ১১ মন্ত্রী—“মহারাজ আমার ভাবটা ভাল বুঝিত্বে পারেন নাই।" প্রতাপ—“বিলক্ষণ বুঝিতে পারিয়াছি। কিন্তু একটা কথা তোমাকে জিজ্ঞাসা করি, আমি যে কাজটা করিতে পারি, তুমি তাহা মৃগে আনিতেও পার না ? তোমার বিবেচনা করা উচিত ছিল, আমি যখন এ কাজটা করিতে যাইতেছি, তখন অবশ্য তাহার গুরুতর কারণ আছে ; আমি অবশ্য ধৰ্ম্ম অধৰ্ম্ম সমস্তই ভাবিয়াছিলাম।” —“আজ্ঞা মহারাজ, আমি—” প্রতাপ—“চুপ কর, আমার সমস্ত কথাটা শোন আগে । আমি যখন এ কাজটা—আমি যখন নিজের পিতৃব্যকে খুন করিতে উদ্যত হফুদ্ধি তখন অবশ্য তোমার চেয়ে ঢের বেশী ভাবিয়াছি। এ কাজে অধৰ্ম্ম নাই । আমার ব্রত এই—এই যে স্নেচ্ছের আমাদের দেশে আসিয়া অনাচার আরম্ভ করিয়াছে, যাহাদের অত্যাচারে আমাদের দেশ হইত্ত্বে নতুন আর্য্য ধৰ্ম্ম লোপ পাইবার উপক্রম হইয়াছে, ক্ষত্রিয়েরা মোগলক্টেকণ্ঠা দিতেছে, হিন্দুরা আচার ভ্রষ্ট হইতেছে, এই ম্লেচ্ছদের আমি দিব, আমাদের আর্য্য-ধৰ্ম্মকে রাহুর গ্রাস হইতে মুক্ত করিব । সাধন করিতে অনেক বলের আবশ্বক ! আমি চাই, সমস্ত রাজারা আমার অধীনে এক হয় । যাহার যবনের মিত্র, তাহাদের স্থি rা করিলে ইহা সিদ্ধ হইবে না। পিতৃব্য বসস্তুরায় আমার পূজ্যপাদ, দন্তু যথার্থ কথাবলিতে পাপ নাই, তিনি আমাদের বংশের কলঙ্ক । তিনি পিনাকে মেচ্ছের দাস বলিয়। স্বীকার করিয়াছেন, এমন লোকের সহিত পিাদিত্য রায়ের কোন সম্পর্ক নাই । ক্ষত হইলে নিজের বাস্থকে টিয়া ফেলা যায় ; আমার ইচ্ছা যায় বংশের ক্ষত, বঙ্গদেশের ক্ষত্র ঐ রায়কে কাটিয়া ফেলিয়া রায়বংশকে বাচাই, বঙ্গদেশকে বাচাই ।” भर्ती कश्रिनन “७ दिशा भर्शब्राप्छन्न गश्डि ओभाइ अछ प्रङ -क्लब