প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বৌ-ঠাকুরাণীর হাট-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১১৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বৌ-ঠাকুরাণীর হাট $3 প্রকাতে অথবা গোপনে অর্থ সাহায্য করিতে যুবরাজের আর সাহস হয় না। যখনি তাহাদের কষ্টের কথা শুনেন, তখনি মনে করেন “আজই আমি টাকা পাঠাইয়। দেব।” তাহার পরেই ইতস্তত করিতে থাকেন, পাঠানো আর হয়,ন । কেহ যেন ন মনে করেন, উদয়াদিত্য প্রাণের ভয়ে এরূপ করিতেছেন। সম্প্রতি জীবনের প্রতি র্তাহার যে পূৰ্ব্বাপেক্ষ বিশেষ আসক্তি জন্মিয়াছে, তাহা নহে। তাহার মনে একট। অন্ধ ভয় উপস্থিত হ | প্রতাপাদিত্যকে তিনি যেন রহস্যময় কী একটা মনে করেন ! যেন উদয়াদিত্যের অদৃষ্ট, উদয়াদিত্যের ভবিষ্কৃৎ-জীবনের প্রতি দিন প্রতি মুহূৰ্ত্ত প্রতাপাদিত্যের মুষ্টির মধ্যে রহিয়াছে। উদয়াদিত্য যখন মৃত্যুকে আলিঙ্গন করিতে যাইতেছেন, জীবনের শেষ মুহূর্তে অৱস্থান করিতেছেন, তখনও যদি প্রতাপাদিত্য ভ্ৰকুঞ্চিত করিয়া বাচিতে আদেশ করেন, তাহা হইলে যেন তখনো তাহাকে মৃত্যুর মুখ হইতে ফিরিয়া আসিতে হইবে। ༦ཐ་ཧྥུ[་ཟ ংশ পরিচ্ছেদ বিধবা রুক্মিণীর (মঙ্গলার কিঞ্চিৎ নগদ টাকা আছে। সেই টাকা' পাটাইয়া স্থদ লইয়া সে জীবিকা নির্বাহ করে। রূপ এবং রূপ। এই দুয়ের জোরে সে অনেককে বশে রাখিয়াছে। সীতারাম সৌখীন লোক, অথচ ঘরে এক পয়সার সংস্থান নাই, এইজন্য রুক্মিণীর রূপ ও রূপ। উভয়ের প্রতিই তাহার আন্তরিক টান আছে। যে দিন ঘরে হাড়ি কাদিতেছে, সে দিন সীতারামকে দেখে, দিব্য নিশ্চিন্ত মুখে হাতে লাঠি লক্ট্রয় পাতল চাদর উড়াইয়া বুক ফুলাইয়। রান্ত দিয়া চলিতেছে, মঙ্গলার বাড়ি যাইরে। পথে যদি কেছ জিজ্ঞাসা করে, “কেমন হে সীতারাম, गश्नाब्र कथन ಗತಡ ?" गौडाबा६,ज्रकीर्द আননে বলে “বেশ চলিতেছে ক্লাল আমাদের ওখানিমন্ত্রণ রহিল " সঙারামের