প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বৌ-ঠাকুরাণীর হাট-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১৩০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Yêe বৌ-ঠাকুবাণীব হাট কবিয়া কোন কথা কহিলে চোখ নীচু কবিয়া একটুখানি হাসে । সন্ধ্যা বেলাষ উদয়াদিত্যেব পাষেব কাছে বসিয়া একটু কথা কহিতে চেষ্টা কবে। যখন মহিষী তিবন্ধাব কবিয কিছু বলেন, চুপ করিষা দাড়াইয়া শোনে, ও অবশেষে এক খ গু মলিন মেঘেব মতো ভাসিয। চলিয়া যায়। যখন কেত্ব বিভাব চিবুক ধবিয়া বলে, ‘বিভী, তুই এত বোগা হতেছিস্ কেন ?” বিভ। কিছু বলে না, কেবল একটু হাসে । এই সময়ে ভাগবত পূৰ্ব্বোক্ত জাল দবখাস্তটি লইয। প্রতাপাদিত্যকে দেখায়, প্রতাপাদিতা আগুন হইযা উঠিলেন—পবে অনেক বিবেচন। কীিয়া উদয়াদিত্যকে কাবারুদ্ধ কৰিবাব আদেশ দিলেন। মন্ত্ৰী কহিলেন, “মহাৰাজ, যুবৰাজ যে একাজ কবিযাছেন, ইহা কোনো মতেই বিশ্বাস হয না। যে শোনে সেই জিভ কাটিয বলে, ওকথা কানে আনিতে নাই । যুবরাজ একাজ কবিবেন ইহা বিশ্বাসযোগ্য নহে।” প্রতাপাদিতা কৰিলেন, “আমাবে। ত বড একটা বিশ্বাস হয না। কিন্তু তাই বলিয কাবাগাৰে থাকিতে দোষ কী ? সেখানে কোন প্রকাব কষ্ট না দিলেই হইল। কেবল গোপনে কিছু না কবিতে পাবে তাহাৰ জন্য পাহাব| নিযুক্ত থাকিবে ।” চতুবিংশ পরিচ্ছেদ যখন বামমোহন চন্দ্রদ্বীপে ফিবিয়া গিয একাকী যোড়হন্তে অপরাধীব মতো রাজব সম্মুখে গিষা দাড়াইল, তখন বামচন্দ্র রায়েব সৰ্ব্বাঙ্গ জলিয। উঠিল। তিনি স্থির কবিযাছিলেন, বিভা আসিলে পব তাহাকে প্রভুপাদিত্য ও তাহাব বংশ সম্বন্ধে খুব দ্বচারিটা খবধার কথা শুনাইয Y་ངྷ་ প্তাহার খণ্ডবেব উপর শোধ তুলিবেন। কী কী কথা বলবেন, কেমন ক্ষরিয়া বলিবেন, কখন বলিবেন, সমস্ত তিনি মনে মনে স্থির কবিয়া *খিয়াছিলেন । বামচন্দ্র রায় গোয়ার নহেন, বিভাকে যে কোন প্রকাবে