প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বৌ-ঠাকুরাণীর হাট-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১৫২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


S6 २ বৌ-ঠাকুরাণীর হাট চোখ ছলছল করিয়া আসিল । আমনি তাড়াতাড়ি কহিলেন—“আয় বিভী, আয় । গোটকতক চুল তুলিয়া দে । তোদের পাকাচুল সরবরাহ করিয়া উঠিতে অব ত আমি পারি না ভাই । বয়স হইতে চলিল, ক্রমেই মাথায় টাক পড়িতে চলিল—এখন আর একটা মাথার অন্তসন্ধান কর— অামি জবাব দিলাম।” বলিয়। বসন্তরায় হাসিতে লাগিলেন । একজন দাসী আসিয়। বসন্তরায়কে কহিল—“রাণী মা আপনাকে একবার প্রণাম করিতে চান ।” বসন্তরায় মহিষীর ঘরে গেলেন, বিভা কারাগারে গেল । , মহিষী বসন্তরায়কে প্রণাম করিলেন । বসন্তরায় আশীৰ্ব্বাদ কবিলেন —“ম, আয়ুষ্মতী হও।” মহিষী কহিলেন, “কাক মশায় ও আশীৰ্ব্বাদ আর করিবেন না । এখন আমার মরণ হইলেই আমি বাচি ।” বসন্তরায় ব্যস্ত হইয়া কহিলেন, “রাম, রাম ! ও কথা মুখে আনিতে नांझे ।” মহিষী কহিলেন, “আর কী বলিব কাকা মহাশয়, আমার ঘরকন্নায় যেন শনির দৃষ্টি পড়িয়াছে।” বসন্তরায় অধিকতর ব্যস্ত হইয় পডিলেন । মহিষী কহিলেন, “বিভার মুখখানি দেখিয় আমার মুখে আর অন্ন জল রুচে না । তাহাকে জিজ্ঞাসা করিলে সে কিছু বলে না, কেবল দিনে দিনে তাহার শরীর ক্ষয় হইয়া যাইতেছে । তাহাকে লইয়া যে আমি কী করিব কিছু ভাবিয়া পাই না !” বগষ্টরায় অত্যন্ত ব্যাকুল হইয়া পড়িলেন। "এই দেখুন কাকা মহাশয়, এক সৰ্ব্বনেশে চিঠি আসিয়াছে।” বলিয়া এক চিঠি বসন্তুরায়ের হান্ঠৈ দিলেন । * বসন্তরায় সে চিঠি পড়িতে না পড়িতে মহিষী কাদিয়া ৰলিত্তে