প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বৌ-ঠাকুরাণীর হাট-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১৮৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বৌ-ঠাকুরাশীর হাট Ջերé: সহজ বেশে গড়ের অভিমুখে গেল। রায়গড়ের শতাধিক দ্বার ছিল, ভিন্ন ডিগ্ন দ্বার দিয়া তাহারা গড়ের মধ্যে প্রবেশ করিল। তখন সন্ধ্যাকালে বসন্তরায় বসিয়া অাহিক করিতেছিলেন । ওদিকে রাজবাডির ঠাকুর-ঘরে সন্ধ্যাপূজাব শাক ঘণ্টা বাজিতেছে। বৃহৎ রাজবাটিতে কোনো কোলাহল নাই, চারিদিক নিস্তব্ধ । বসগুয়ায়ের নিয়মহসাবে অধিকাংশ ভৃত্য সন্ধ্যাবেলায কিছুক্ষণের জন্ত ছুটি পাইয়াছে। আহ্নিক করিতে করিতে বসন্তরায় সহসা দেখিলেন, তাহার ঘরের মধ্যে মুক্তিয়ার খী প্রবেশ করিল। ব্যস্তসমস্ত হইয়া বলিয়া উঠিলেন-- *খ সাহেব, এ ঘরে প্রবেশ করিও না। আমি এখনি আহিক সারিয়া আসিতেছি ।” মুক্তিয়ার ধ। ঘরের বাহিবে গিয়া দুয়ারের নিকট দাডাইয়া রহিল। বসন্তরায় জাহিক সমাপন করিয তাড়াতাড়ি বাহিরে আসিয়া মুক্তিয়ার খণর গায়ে হাত দিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন,"খ সাহেব, ভাল আছ তো ?” মুক্তিয়ার সেলাম করিয়া সংক্ষেপে কহিল, “ই মহারাজ ।” বসন্তরীয় কহিলেন--"আহারাদি হইয়াছে ?” 향 भूङिब्रांब्र-“श्रांखाँई।” বসন্তবায়—“আজ তবে, তোমার এখানে থাকিবার বন্দোবস্ত করিয়া हेि !” মুক্তিয়ার কহিল--"আজ্ঞা না, প্রয়োজন নাই। কাজ সারিয়া এখনি ब्राहेरङ हॉई८व !” so বসন্তরায়—“ন তা হইবে না থ সাহেব, আজ তোমাদের খাড়িৰ म, प्रांज uथाप्न थांकि८ऊहे हढेcव ।” भूस्यिाङ्ग-"न, भइब्रार्थ, नौजद्दे शंदे८७ इदेव ।” বসঞ্চায় জিজ্ঞাগ করিলেন,"কেন বলে দেখি বিশেষ ৰাঙ্গ আছে খুঞ্জি ? প্রভাগ ভাগ জাছে তো?”