প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বৌ-ঠাকুরাণীর হাট-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১৮৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বৌ-ঠাকুরাণীর হাট هو سيالا অবসর বুঝিয় মুক্তিয়ার খ। ব্যথিত হৃদয়ে যুবরাজের নিকট আসিয়া বসিল, বিনীত ভাবে জিজ্ঞাসা করিল—“যুবরাজ, কী ভাবিতেছেন।” যুবরাজ চমকিয়া উঠিলেন—অনেকক্ষণ স্তব্ধভাবে অবাক হইয়া মুক্তিয়ারের মুখের দিকে চাহিয়া রহিলেন । মুক্তিয়ারের মুখে মমতার ভাব দেখিয়া সহসা রুদ্ধপ্রাণ খুলিয়া যুববাজ বলিয়া উঠিলেন—“ভাবিতেছি, পৃথিবীতে জন্ম।ইয়া আমি কী করিলাম। আমার জন্ত কী সৰ্ব্বনাশই হইল! হে বিধাতা, যাহার। দুৰ্ব্বল—এ পৃথিবীতে তাহারা কেন জন্মায় ? যাহার নিজের বলে সংসাবে দাড়াইতে পারে না—যাহারা পদে পদে পল্পকে জড়াইয় ধরে—তাহাদের দ্বারা পুথিবীর কী উপকার হয় ? তাহারা যাহাকে ধরে, তাহাকেই ডুবায়, পুথিবীর সকল কাজে বাধা দেয়—নিজেও দাড়াইতে পারে না, আর সকলকেও ভারাক্রান্ত করে –আমি একজন দুৰ্ব্বল ভীরু, ঈশ্বর মামাকেই বঁচাইলেন, আর যাহারা সংসারেব আনন্দ ছিল, সংসারের ভরসা ছিল—আমার জন্য তাহাদেরই বিনাশ করিলেন ? আব না, এ সংসার হইতে আমি বিদায হইলাম।” উদয়াদিত্য বন্দীভাবে প্রতাপাদিত্যের সম্মুখে আনীত হইলেন। প্রতাপাদিত্য র্তাহাকে অন্তঃপুবের কক্ষে লইয়া গিয়া দ্বাব রুদ্ধ কবিলেন। প্রতাপাদিত্যের কাছে আসিতেই উদয়াদিত্যের শবীর যেন শিহরিয়া উঠিল, অনিবার্ষ্য ঘুণায় তাহার সর্বশরীরের মাংস যেন কুঞ্চিত হইয়া আসিল--তিনি পিতাব মুখের দিকে আর চাহিতে পারিলেন না। প্রতাপাদিত্য গম্ভীর স্বরে কহিলেন—“কোন শান্তি তোমার উপযুক্ত ?” উদয়াদিত্য অবিচলিত ভাবে কহিলেন, “আপনি যাহা আদেশ করেন ৷” প্রতাপাদিত্য কহিলেন—“তুমি আমার এ রাজ্যের যোগ্য নহ।” छैनब्रानिङा कश्लिन-"ना भशब्रांज, वांभि ८षांशी नश् ि। षाधि