প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বৌ-ঠাকুরাণীর হাট-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১৯১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বৌ-ঠাকুবাণীর হাট جدد কবিলেন। উদযাদিত্য সমবাদিত্যকে কোলে তুলিয়া লইয়া তাহাকে চুম্বন কবিলেন ও আপনাব মনে কহিলেন,—“বংস, যে সিংহাসনে তুমি বসিবে, সে সিংহাসনেব অভিশাপ তোমাকে স্পর্শ যেন না কবে ।” বাজ, বাডিব ভূত্যেব উদযাদিত্যকে বড় ভালবাসিত, তাহাব। একে একে আসিয। তাহাকে প্রণাম কবিল, সকলে কাদিতে লাগিল। অবশেষে মন্দিবে গিয়া উভয়ে দেবতাকে প্রণাম কবিয যাত্রা কবিলেন । শোক বিপদ অত্যাচাবেব বঙ্গভূমি পশ্চাতে পডিযা বহিল—জীবনেব কাবাগাব পশ্চাতে পডিয| বহিল। উদয়াদিত্য মনে কবিলেন, এ বাড়িতে এ জীবনে আব প্রবেশ কবিব না। একবাব পশ্চাৎ ফিবিষা দেখিলেন। দেখিলেন বক্তপিপাস্থ কঠোব-হৃদয বাজবাটি আকাশের মধ্যে মাথা তুলিয়। দৈত্যেব দ্যায় দাডাইয আছে। পশ্চাতে ষডযন্ত্র, যথেচ্ছাচারিত, বক্তলালস, দুৰ্ব্বলেব পীডন, অসহায়েব অশ্রজল পডিয| বহিল, সন্মুখে অনন্ত স্বাধীনতা, প্রকৃতিব অকলঙ্ক সৌন্দৰ্য্য, হৃদয়েব স্বাভাবিক স্নেহ মমতা তাহাকে আলিঙ্গন কবিবাব জন্য দুই হাত বাডাইয দিল। তখন সবে প্রভাত হইয়াছে। নদীব পূর্ব পাবে বনাস্তেব মধ্য হইতে কিবণেব ছটা উৰ্দ্ধশিখ হইয়া উঠিয়াছে , গাছপালাব মাথাব উপবে সোনাব আভা পডিযাছে—লোকজন জাগিয়া উঠিষাছে, মাঝিব। আনন্দে গান গাহিতে গাহিতে পাল তুলিয়া নৌকা খুলিযা দিয়াছে। প্রকৃতিব এই বিমল, প্রশাস্ত, পবিত্র প্রভাত মুখশ্ৰী দেখিষ উদয়াদিত্যের প্রাণ পার্থীদেব সহিত স্বাধীনতার গান গাহিয়া উঠিল। মনে মনে কহিলেন, “জন্ম জন্ম যেন প্রকৃতিব এই বিমল শুামল ভাবেব মধ্যে স্বাধীন ভাবে বিচৰণ কবিতে পাই, আর সবল প্রাণীদেব সহিত একত্রে বাস কবিতে পাবি।” নৌকা ছাডিয়৷ দিল । মাঝিদেব গান ও জলেব কল্লোল শুনিতে শুনিতে উভয়ে অগ্রসব হইলেন। বিভাব প্রশাস্ত হৃদয়ে আনন্দেব উষালোক ৰিবাজ কবিতেছিল, তাহার মুখে চোখে অরুণের দীপ্তি। সে