প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বৌ-ঠাকুরাণীর হাট-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১৯২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


○。ミ বৌ-ঠাকুরাশীর হাট যেন এত দিনেব পব একটা দুঃস্বপ্ন হইতে জাগিয উঠিব জগতের মুখ দেখিয়া আশ্বস্ত হইল। বিভা যাইতেছে। কাহাব কাছে যাইতেছে ? কে তাহাকে ডাকিতেছে ? অনন্ত অচল প্রেম তাহাকে ডাকিযাছে— বিভা ছোট পাণীটিব মতো ডানা ঢাকিয| সেই কোমল প্রেমেব স্তবের মধ্যে আরামে বিশ্বস্ত হৃদযে লুকাইষ থাকিবে । জগতেব চাবিদিকে সে আজ স্নেহেব সমূদ্র দেখিতে পাইতেছে। উদযাদিত্য বিভাকে কাছে ডাকিয জলের কল্লোলেব ন্তাষ মৃদুস্ববে তাহাকে কত কী কাহিনী শুনাইতে লাগিলেন । যাহ। শুনিল—বিভাব তাহাক্ট ভাল লাগিল । রামচন্দ্ৰ বাযেব বাজ্যেব মধ্যে নৌকা প্রবেশ কবিল। চাবিদিক দেখিয় বিভাব মনে এক অভূতপূৰ্ব্ব আনন্দেব উদয হইল। কী সুন্দব শোভা ! কুটীবগুলি দেখিয় লোকজনদেব দেখিযা বিভব মনে হইল সকলে কী সুখেই আছে ? বিভাব ইচ্ছা হইতে লাগিল, প্রজাদিগকে কাছে ডাকিয় তাহাদেব বজাব কথা একবাব জিজ্ঞাস কবে । প্রজাদিগকে দেখিয় তাহাব মনে মনে কেমন একপ্রকাব অপূৰ্ব্ব মেহেব উদয হইল । যাহাকে দেখিল, সকলকেই তাহাব ভাল লাগিল। মাঝে মাঝে দুই একজন দবিন্দ্ৰ দেখিতে পাইল, বিভ৷ মনে মনে কহিল, “আহ, ইহাব এমন দশা কেন ? আমি অন্তঃপুবে গিয়া ইহাকে ডাকাইয়। পাঠাইব । যাহাতে ইহার দুঃখ মোচন হয়, তাহাই কবিব।” সকলই তাহাব আপনাব বলিয়া মনে হইল। এ রাজ্যে যে দুঃখ দাবিদ্র্য আছে, ইহ। তাহাব প্রাণে সহিল না। বিভাব ইচ্ছা কবিতে লাগিল, প্রজাবা তাহাব কাছে আসিয। একবাব তাহাকে ম৷ বলিয়া ডাকে, তাহাব কাছে নিজের নিজেব দুঃখ নিবেনু করে ও সে সেই দুঃখ দূব কবিয দেয । Cl রাজধানীর নিকটবৰ্ত্তী গ্রামে উদযাদিত্য নৌকা লাগাইলেন। তিনি স্থির করিয়াছেন, রাজবাটিতে র্তাহাদেব আগমন-বাৰ্ত্ত বলিয়া পাঠাইবেন ও তাহারা অভ্যর্থনা কবিয়া তাহাদেব লইয়া যাইবে ।